জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে আবৃত্তি সমন্বয় পরিষদ আয়োজিত ‘বঙ্গবন্ধু জাতীয় আবৃত্তি উৎসব’ শেষ হয়েছে।
গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে পাঁচ দিনব্যাপী এ উৎসবের সমাপনী আনুষ্ঠানিকতা হয়।
এ সময় স্বাগত বক্তব্য দেন আয়োজক সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আহকাম উল্লাহ। আসাদুজ্জামান নূরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নসরুল হামিদ ফাউন্ডেশনের পরিচালক সীমা হামিদ, আবৃত্তিশিল্পী শিমুল মুস্তাফা ও শারমিন লাকীসহ অনেকে।
আসাদুজ্জামান নূর বলেন, ‘যারা হৃদয় থেকে কবিতার শব্দ উচ্চারণ করেন, তারা কখনো অন্যায়ের সঙ্গে আপস করতে পারেন না। কবিতার সাহায্যে আমরা সমাজের সকল অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে মাথা তুলে দাঁড়ানোর সাহস পায়।’
বঙ্গবন্ধু জাতীয় আবৃত্তি উৎসবের উদ্বোধনে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতি আবৃত্তির জগতে এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে আসাদু্জ্জামান নূরের নেতৃত্বে সম্মিলিত আবৃত্তি, মুজিববর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে হাসান আরিফের নির্দেশনায় আবৃত্তি প্রযোজনা ‘মহাবিজয়ের মহানায়ক’ ও ৫০ গুণী শিল্পীর আবৃত্তি মঞ্চায়িত হয়। এ ছাড়া বঙ্গবন্ধু আবৃত্তি সম্মাননা স্মারক এবং উৎসব স্মারক প্রদান হয়।
গত ২৭ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে ভার্চ্যুয়াল মাধ্যমে যুক্ত হয়ে সারা দেশের আবৃত্তি সংগঠনগুলোর ফেডারেশন বাংলাদেশ আবৃত্তি সমন্বয় পরিষদের আয়োজনে ‘বঙ্গবন্ধু জাতীয় আবৃত্তি উৎসবের’ উদ্বোধন করেন।
