পুরান ঢাকায় রাসায়নিক ব্যবসা

গুদাম কারখানা দোকানের তালিকা চায় হাইকোর্ট

আপডেট : ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ০১:৩৭ এএম

পুরান ঢাকায় রাসায়নিকের গুদাম, কারখানা, দোকান আছে এমন সব ভবনের তালিকা চেয়েছে উচ্চ আদালত। আগামী ১৭ এপ্রিলের মধ্যে এ বিষয়ে প্রতিবেদন দিতে বলেছে হাইকোর্ট। একই সঙ্গে শ্যামপুর ও টঙ্গীতে অস্থায়ী ও মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে স্থায়ী ‘কেমিক্যাল পল্লী’ স্থাপনের অগ্রগতির প্রতিবেদন দিতে বলেছে আদালত।

শিল্প সচিব, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন সচিব, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র, রাজউকের চেয়ারম্যান, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এবং বিস্ফোরক অধিদপ্তরের মহাপরিচালকে এসব প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। এ সংক্রান্ত রিট আবেদনের ওপর শুনানি নিয়ে গতকাল মঙ্গলবার বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি এস এম মনিরুজ্জামানের ভার্চুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলসহ এসব আদেশ দেয়।

বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা), বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্ট (ব্লাস্ট), নিজেরা করি, অ্যাসোসিয়েশন ফর ল্যান্ড রিফর্ম অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (এএলআরডি), আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) এবং চুড়িহাট্টার ঘটনায় ভুক্তভোগী জনগণের পক্ষে মোছা. ফাতেমা আক্তার ও মো. নাসির উদ্দীন এই রিট আবেদনটি করেন।

রিট আবেদনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।  রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সমরেন্দ্র নাথ বিশ্বাস।

রুলে বিভিন্ন অগ্নিকান্ডের পর সরকারের দেওয়া প্রতিবেদন অনুযায়ী পদক্ষেপ নিতে শিল্প মন্ত্রণালয়, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়, বিস্ফোরক অধিদপ্তর, রাজউক, ডিএসসিসিসহ সরকারের ১১টি সংস্থার ব্যর্থতাকে কেন  অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, অবৈধ সকল রাসায়নিকের গুদাম, দোকান, কারখানা এবং ভবন মালিকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে নাতা জানাতে আদেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত