করোনার বিস্তার রোধে চলমান বিধিনিষেধ আগামী ২১ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
করোনা ভাইরাসজনিত রোগের নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রনের প্রাদুর্ভাব ও দেশে এ রোগের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় আগের জারি করা সব বিধিনিষেধের সঙ্গে কিছু শর্ত সংশোধন করে নতুন বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।
গতকাল জারি করা নতুন দুই বিধিনিষেধ হচ্ছে, উন্মুক্ত স্থানে ও ভবনের ভেতরে সামাজিক, রাজনৈতিক, ধর্মীয় অনুষ্ঠানে একশ’র বেশি লোকের সমাবেশ করা যাবে না। এসব ক্ষেত্রে যারা যোগ দেবেন তাদের অবশ্যই কভিড টিকা সনদ অথবা ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পিসিআর টেস্টের সার্টিফিকেট আনতে হবে। সব স্কুল, কলেজ এবং সমপর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শ্রেণিকক্ষে পাঠদান বন্ধ থাকবে।
এর আগে ১৩ জানুয়ারি থেকে বিধিনিষেধ আরোপ করে ১০ জানুয়ারি নির্দেশনা জারি করা হয়। নির্দেশনায় যেসব বিধিনিষেধ আরোপের কথা বলা হয় সেগুলো হচ্ছে দোকান, শপিং মল ও বাজারে ক্রেতা-বিক্রেতা এবং হোটেল-রেস্তোরাঁসহ সব জনসমাগমস্থলে বাধ্যতামূলকভাবে সবাইকে মাস্ক পরতে হবে। অফিস-আদালতসহ ঘরের বাইরে অবশ্যই মাস্ক ব্যবহার করতে হবে। স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালনে ব্যত্যয় রোধে সারা দেশে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করতে হবে। রেস্তোরাঁয় বসে খাবার গ্রহণ এবং আবাসিক হোটেলে থাকার জন্য অবশ্যই করোনা টিকার সনদ প্রদর্শন করতে হবে। ১২ বছরের ঊর্ধ্বের কোনো ছাত্র-ছাত্রীকে শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক নির্ধারিত তারিখের পরে টিকার সনদ ছাড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে না। ট্রেন, বাস ও লঞ্চে সক্ষমতার অর্ধেক সংখ্যক যাত্রী নেওয়া যাবে। বিদেশফেরত যাত্রীদের বাধ্যতামূলক কভিড ১৯ টিকার সনদ প্রদর্শন এবং র্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্ট করতে হবে। স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালন এবং মাস্ক পরিধানের বিষয়ে দেশের সব মসজিদে জুমার নামাজের খুতবায় ইমামরা সংশ্লিষ্টদের সচেতন করবেন।
