প্রথম আয় ২৫ টাকা, কত সম্পদ রেখে গেলেন লতা?

আপডেট : ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ০৫:৩১ পিএম

‘ভারতরত্ন’ লতা মঙ্গেশকরের শ্রেষ্ঠে, প্রবাদে, কিংবদন্তিতে পরিণত হওয়ার সংগ্রাম ছিল খুবই কঠিন। খুব সাধারণ পরিবার থেকে উঠে আসা লতার প্রথম রোজগার ছিল মোটে ২৫ টাকা। রবিবার না ফেরার দেশে চলে গেছেন তিনি। রেখে গেলেন একশো কোটির সম্পত্তি, নামীদামি গাড়ি। আর চিরদিনের সুর।

লতা মঙ্গেশকরের বাবা দীননাথ মঙ্গেশকর ছিলেন নাট্যমঞ্চের পরিচিত মুখ। বাবার হাত ধরেই অনেক ছোট বয়সে নাটক, গানের সঙ্গে পরিচয়। দিদিমার কাছে লোকগানের তালিম নেওয়া শুরু সেই ছেলেবেলায়। মাত্র ১৩ বছর বয়সে গান গেয়ে ২৫ টাকা রোজগার করেছিলেন লতা। তার পর তো স্বপ্নের উড়ান। দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিদেশের মানুষেরও মন জয় করেছেন তিনি।

বিভিন্ন রিপোর্ট বলছে, সবশেষ সুরসম্রাজ্ঞীর মাসিক আয় ছিল প্রায় ৪০ লাখ টাকা। বছরে পেতেন প্রায় ৬ কোটি টাকা। সেই অর্থ আসত তার গানের রয়্যালটি থেকে। কোনো কোনো রিপোর্টে বলা হচ্ছে, ‘নাইটেঙ্গল অফ ইন্ডিয়া’র সম্পত্তির পরিমাণ ছিল প্রায় ৩৭০ কোটি টাকা। কেউ কেউ অবশ্য দাবি করেছেন, তিনশো কোটি নয়, সম্পত্তির পরিমাণ ১০৭-১১৫ কোটি। কোটিপতি হয়েও তিনি ছিলেন মাটির মানুষ।

গাড়ির বিষয়ে শৌখিন ছিল সংগীতসম্রাজ্ঞী। গাড়ির দুর্দান্ত সংগ্রহ ছিল লতা মঙ্গেশকরের। তার বাড়ি ‘প্রভুকুঞ্জের’ গ্যারেজে ছিল কিছু সেরা এবং স্টাইলিস্ট গাড়ি। একাধিকবার সাক্ষাৎকারে গাড়ির প্রতি তার ভালোবাসার কথা বলেছেন তিনি। ক্যারিয়ারের শুরুতে তার ছিল একটি শেভরলে। মায়ের নামে গাড়িটি কিনেছিলেন ইন্দোর থেকে। লতার গ্যারেজে ছিল বুইক এবং ক্রিসলার। পরে যশরাজের তরফে তাকে একটি মার্সিডিজ উপহার দেওয়া হয়।

যশরাজ প্রযোজিত ‘বীরজারা’ সিনেমায় দর্শকদের তাক লাগিয়ে দিয়েছেন লতা মঙ্গেশকরের সুরেলা কণ্ঠ। সেই সিনেমা রিলিজের সময় প্রযোজক লতাজির হাতে মার্সিডিজের চাবি তুলে দেন। সূত্র: সংবাদ প্রতিদিন

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত