রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে ছাত্রদল নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। গতকাল রবিবার রাতের ওই সংঘর্ষের পর ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সদস্য সচিব রফিকুল আলম মজনুসহ অন্তত ৩০ জন নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ছাত্রদল নেতাকর্মীরা। এছাড়া সংঘর্ষের পর পুলিশ বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেওয়ায় সেখানে অনেক নেতাকর্মী আটকা পড়েন বলেও জানান তারা।
ছাত্রদল নেতারা বলেছেন, ঢাকা মহানগর পশ্চিমের অন্তর্গত রূপনগর থানা ছাত্রদলের কর্মী সম্মেলনে ‘ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও পুলিশের হামলা’র প্রতিবাদে নয়াপল্টনে তাৎক্ষণিক প্রতিবাদ মিছিলের আয়োজন করে ছাত্রদল। গতকাল সন্ধ্যা ৭টার দিকে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে ছাত্রদলের নেতারা মিছিল বের করতে চাইলে পুলিশ তাতে বাধা দেয়। এ নিয়ে পুলিশের সঙ্গে তাদের ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে।
এ প্রসঙ্গে বিএনপির ঢাকা বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুস সালাম আজাদ দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘নয়াপল্টনে ছাত্রদল নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের পর বিএনপির ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সদস্য সচিব রফিকুল আলম মজনুসহ ২০ থেকে ২৫ জন নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। আর শুধু মজনুসহ নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার করেই ক্ষান্ত হয়নি পুলিশ, তারা বিএনপির কেন্দ্রীয় ও মহানগর কার্যালয় অবরুদ্ধ করে রেখেছে।’
তবে পল্টন থানার ওসি মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন মিয়ার দাবি, বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদের ওপরই হঠাৎ হামলার ঘটনা ঘটে। তিনি দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে কিছু মানুষ জড়ো হয়ে অতর্কিতে দায়িত্বরত পুলিশের ওপর হামলা চালায়। এ ঘটনার পর বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে পুলিশ সতর্ক অবস্থান নেয়।’
