হঠাৎ আম্পায়ারের দিকে তেড়ে গেলেন সাকিব আল হাসান। না, ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের মোহামেডান-আবাহনী ম্যাচের মতো কিছু করেননি অবশ্য। আম্পায়ারকে একটি চার বাতিলের ব্যাপারে জিজ্ঞেস করছিলেন শুধু। কুমিল্লার বোলার সুমন খানের একটি ডেলিভারি হাত ফসকে ওয়াইড ছাড়িয়ে হয়ে যায় চার। আম্পায়ার কিছুটা পরে তা ডেড বলের ঘোষণা দেন। এ নিয়েই অসন্তোষ সাকিবের। পরে ঘটনা বেশিদূর গড়ায়নি। অবশ্য সাকিবের এ নিয়ে অসন্তুষ্ট থাকার কথা নয়। কারণ নিজেই তো ব্যাটে-বলে পারফরম করে দল জিতিয়েছেন। বরিশালের গত তিন জয়েরই নায়ক সাকিব।
সিলেটের উইকেট নিয়ে আলোচনা ছিল শুরু থেকেই। সেটাই সত্যি হলো ঝকঝকে রোদে সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে এবারের বিপিএলের প্রথম ম্যাচে। স্পিনাররাই সুবিধা পেয়েছেন, তাই প্রথমবার বল হাতে দেখা গেল ক্রিস গেইলকেও। এর মাঝেও ব্যতিক্রম সাকিব ও মুনিম শাহরিয়ার। বরিশালের দেড়শ রানের ইনিংসের শুরুটা এনে দেন মুনিম। ২৫ বলে ৩ ছক্কা ও ৪ চারের দারুণ সাহসী ইনিংসে করেন ৪৫। তার বেঁধে দেওয়া সুর ধরে রাখেন সাকিব। ৩৭ বলে ২ ছক্কা ও ৪ চারে আসরে দ্বিতীয় হাফসেঞ্চুরি করলেন। ৩১ করা হৃদয়ের সঙ্গে ৬৭ রানের জুটিতে দলের ভিত মজবুত করেন। তবে ১০ ওভারে ৮৩ রান তোলা বরিশালকে পরের ১০ ওভারে ৭২ রানে (শেষ ওভারে ৩৪) আটকে রাখে কুমিল্লা।
কিন্তু ব্যাটিংটা বাজে হয়েছে তাদের। ইনিংস শুরুতেই গোলযোগ বাঁধিয়ে দেন সাকিব। ইমরুল (১) ও লিটনকে (১৯) ভুল শটের ফাঁদে ফেলে চার ওভারের মধ্যেই ফেরান। ডু প্লেসি ও ডেলপোর্টদের স্পিনবান্ধব উইকেটের কারণেই খেলানো হয়নি এ ম্যাচে। কিন্তু মুমিনুল-মঈনরা ওপরে সুযোগ পেয়েও সুবিধা করতে পারেননি। সর্বোচ্চ ৩০ করেন মুমিনুল। নাঈম-ব্রাভোদের স্পিন ও সেøা মিডিয়ামে নিয়মিত উইকেট হারিয়ে হার হজম করে কুমিল্লা।
