বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে অভিজ্ঞতা বিনিময়

আপডেট : ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ০১:৪২ এএম

কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সর্বোত্তম অনুশীলনগুলো ভাগ করে নিতে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) ও ভারতের ইন্দোর মিউনিসিপ্যাল করপোরেশনের মধ্যে অভিজ্ঞতা বিনিময়ে গতকাল মঙ্গলবার একটি ভার্চুয়াল সংলাপ হয়েছে। ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশন এ তথ্য জানিয়ে বলেছে, এ ওয়েবিনার আয়োজনে সহায়তা করেছে ভারতীয় হাইকমিশন এবং ভারত সরকারের আবাসন ও নগরবিষয়ক মন্ত্রণালয়।

ভারতের পক্ষে ওয়েবিনারে যুক্ত ছিলেন জাতীয় মিশন পরিচালক ও ভারত মিশনের যুগ্ম সচিব রূপা মিশ্র, ইন্দোর মিউনিসিপ্যাল করপোরেশনের অতিরিক্ত কমিশনার সন্দীপসোনি, কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম পরিচালনাকারী করপোরেশনের কর্মকর্তারা এবং সেন্ট্রাল পাবলিক হেলথ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল ইঞ্জিনিয়ারিং অর্গানাইজেশনের প্রতিনিধিরা।

ডিএনসিসির অতিরিক্ত সচিব ও প্রধান নির্বাহী মো. সেলিম রেজা বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন। প্রতিনিধিদলে ডিএনসিসির প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আমিরুল ইসলাম, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কমোডর এসএম শরীফ-উল ইসলাম এবং ডিএনসিসির অন্য সদস্যরা যুক্ত ছিলেন।

২০২১ সালে ভারত সরকার কর্র্তৃক পরিচালিত বার্ষিক পরিচ্ছন্নতা সমীক্ষায় ইন্দোর শহরকে দেশটির সবচেয়ে পরিচ্ছন্ন শহর হিসেবে স্থান দেওয়া হয়েছিল। বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য প্রশংসনীয় পদ্ধতির কারণে মধ্যপ্রদেশ রাজ্যের এ শহরটি ২০১৭ সাল থেকে টানা পাঁচবার এ স্বীকৃতি অর্জন করেছে। এর মধ্যে রয়েছে বর্জ্য পৃথকীকরণ, ঘরে ঘরে গিয়ে বর্জ্য সংগ্রহ, বাসিন্দাদের দ্বারা বাড়িতে কম্পোস্টিং, দিনের বর্জ্য পুনর্ব্যবহার এবং কেন্দ্রীয় কম্পোস্টিং সুবিধা ইত্যাদি।

ওয়েবিনারে ইন্দোর মিউনিসিপ্যাল করপোরেশনের কর্মকর্তারা বর্জ্য সংগ্রহের পদ্ধতি, উদ্ভাবনী অনুশীলন এবং দক্ষ বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য তাদের দ্বারা গৃহীত প্রযুক্তি নিয়ে কথা বলেছেন। ইন্দোর মিউনিসিপ্যাল করপোরেশন শতভাগ ঘরে ঘরে গিয়ে বিচ্ছিন্ন বর্জ্য সংগ্রহ ব্যবস্থা, ক্লিনারদের জন্য বায়োমেট্রিক উপস্থিতি ব্যবস্থা, জিপিএস-ট্র্যাক করা যায় এমন বর্জ্য সংগ্রহের যানবাহন ইত্যাদির বিশদ বিবরণ দিয়েছেন। ডিএনসিসি কর্মকর্তারা তাদের সর্বোত্তম অনুশীলনগুলোর বিষয়ে এবং কীভাবে কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনাসহ অন্যান্য পৌরপরিষেবার ক্ষেত্রে সহযোগিতা এগিয়ে নেওয়া যায় সে সম্পর্কে ফলপ্রসূ আলোচনা করেন।

অনুষ্ঠানে রূপা মিশ্র বলেন, পারস্পরিক শিক্ষার অনেক সুযোগ রয়েছে এমন একটি বিষয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্ত হতে পেরে ভারত আনন্দিত। তিনি সহযোগিতাকে এগিয়ে নেওয়ার উদ্যোগকে স্বাগত জানান। মো. সেলিম রেজাও দুই নগর সভার মধ্যে এ ধরনের প্রথম ওয়েবিনারকে স্বাগত জানান।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত