ঝিনাইদহ সদর উপজেলায় ধর্ষণে বাধা দেওয়ায় বিবিজান বেগম (৪৫) নামে এক গৃহবধূকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এ সময় স্থানীয়রা নড়াইল শহরের ডুমুরতলা গ্রামের ইয়াদ আলীকে ধরে পুলিশে দেয়।
বিবিজানের শরীরে আঘাতের ধরনের সঙ্গে সম্প্রতি জেলায় আরও দুটি হত্যাকাণ্ডের মিল পায় পুলিশ। এরই সূত্র ধরে ইয়াদ আলীকে জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে সে তাদের হত্যার কথা স্বীকার করে। মূলত বিকৃত যৌনাচারে বাধা দেওয়ায় তাদের তিনজনকে খুন করে ইয়াদ।
গতকাল শনিবার ঝিনাইদহ সদর থানার ওসি শেখ মোহাম্মদ সোহেল রানা এসব তথ্য জানান। তিনি জানান, গত বৃহস্পতিবার ঝিনাইদহ সদর উপজেলার পোড়াহাটি গ্রামে বিবিজান বেগমকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করে ইয়াদ আলী। ওইদিনই নিহতের ছেলে আবু জাফর সদর থানায় হত্যা মামলা করেন।
গত ৬ ফেব্রুয়ারি জেলার তেঁতুলতলা এম কে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বারান্দা থেকে ইলিয়াস পাটোয়ারী ও ৯ ফেব্রুয়ারি লাউদিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সিঁড়ির নিচ থেকে অজ্ঞাত এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করা হয়। তাদেরও মাথায় আঘাত করে মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়েছিল। বিবিজানের আঘাতের ধরন দেখে পুলিশের সন্দেহ হয়। আসামি ইয়াদ আলীকে নিয়ে তদন্ত শুরু হয়। জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে সে জানায় গত ৫ ফেব্রুয়ারি রাতে এম কে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বারান্দায় ঘুমিয়ে থাকা অবস্থায় ইলিয়াসকে টিউবওয়েলের হাতল দিয়ে মাথায় আঘাত করে হত্যা করে।
একইভাবে লাউদিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বারান্দায় ঘুমিয়ে থাকা অজ্ঞাত এক ব্যক্তিকে লাঠি দিয়ে মাথায় আঘাত করে হত্যার পর লাশ সিঁড়ির নিচে রেখে পালিয়ে যায়।
