বিশ্বে শনাক্ত ১৫ লাখের নিচে

আপডেট : ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ১২:৫৪ এএম

মহামারী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে বিশ্বজুড়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৭ হাজার ৭৫৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর আগের দিন মারা গিয়েছিল ৬ হাজার ৪৯৭ জন। এক দিনের ব্যবধানে মৃত্যু কিছুটা বাড়লেও শনাক্ত কমেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বে শনাক্ত হয়েছে ১৪ লাখ ৭৩ হাজার ৪৫৬ জন। এক দিনে শনাক্ত এই রোগী আগের দিনের তুলনায় প্রায় দুই লাখ কম।

এদিকে আন্তর্জাতিক জরিপ সংস্থা ওয়ার্ল্ডোমিটারসের তথ্য বলছে, এক দিনে শনাক্ত রোগীর এই সংখ্যা গত দেড় মাসের মধ্যে সবচেয়ে কম। গত ৩ জানুয়ারির পর দৈনিক শনাক্ত ১৫ লাখের নিচে নামল। এই সময়ের মধ্যে প্রতিদিন গড়ে ২৫ লাখের মতো রোগী শনাক্ত হয়েছে বিশ্বে। কোনো কোনো দিন সে সংখ্যা ছাড়িয়ে গেছে ৩৫ লাখও। ওয়ার্ল্ডোমিটারসের সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, মহামারীর শুরু থেকে এ পর্যন্ত ভাইরাসটিতে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪১ কোটি ৩৮ লাখ ৩ হাজার ৭০৯ জনে। আর বিশ্বজুড়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫৮ লাখ ৪৪ হাজার ২৬৭ জনে।

গত ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি শনাক্ত হয়েছে রাশিয়ায়। এ সময় দেশটিতে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে ১ লাখ ৮০ হাজার ৪৫৬ জন এবং মারা গেছে ৬৮৩ জন।

দৈনিক সংক্রমণের দিক দিয়ে রাশিয়ার পরই জার্মানির অবস্থান। দেশটিতে গত ২৪ ঘণ্টায় সংক্রমিত হয়েছে ১ লাখ ২৭ হাজার ৪৪৯ জন, মারা গেছে ১৩০ জন।

করোনায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত দেশ যুক্তরাষ্ট্রে এখন পর্যন্ত মারা গেছে ৯ লাখ ৪৬ হাজার ১২০ জন। আর গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছে ৯৪০ জন। এ পর্যন্ত দেশটিতে আক্রান্ত হয়েছে ৭ কোটি ৯৫ লাখ ১৫ হাজার ৩৯৭ জন।

আক্রান্তের দিক থেকে তৃতীয় ও মৃত্যুতে দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা ব্রাজিলে ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছে ৪৬৪ জন। নতুন করে ভাইরাসটিতে সংক্রমিত হয়েছে ৫৮ হাজার ১০০ জন। মহামারী শুরুর পর এ পর্যন্ত দেশটিতে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ২ কোটি ৭৫ লাখ ৪১ হাজার ১৩১ জন। মারা গেছে ৬ লাখ ৩৮ হাজার ৯১৩ জন।

আক্রান্তের তালিকায় দ্বিতীয় ও মৃত্যুতে তৃতীয় অবস্থানে থাকা ভারতে মহামারীর শুরু থেকে এ পর্যন্ত আক্রান্ত ৪ কোটি ২৬ লাখ ৯০ হাজার ৭৯৪ জন। মারা গেছে ৫ লাখ ৯ হাজার ৩৮৮ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে সংক্রমিত হয়েছে ২৫ হাজার ২২৬ জন, মারা গেছে ৩৪৫ জন।

তালিকায় এর পরের স্থানগুলোতে রয়েছে ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, তুরস্ক, ইতালি, স্পেন, আর্জেন্টিনা, ইরান ও কলম্বিয়া।

২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের উহান প্রদেশের হুবেই শহরে প্রথম করোনার অস্তিত্ব শনাক্ত হয়। কয়েক মাসের মধ্যেই ভাইরাসটি বিশ্বের অধিকাংশ দেশে ছড়িয়ে পড়ে। গত বছরের ১১ মার্চ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা করোনাকে ‘বৈশ্বিক মহামারী’ হিসেবে ঘোষণা করে। এরপর গত দুই বছরে ভাইরাসটি অসংখ্যবার রূপ বদলেছে।  নতুন নতুন ধরনে সংক্রমণ বাড়িয়েছে। এর মধ্যে গত বছর করোনার টিকাদান শুরু হওয়ায় ভাইরাসটির সবচেয়ে ভয়াবহ ধরন ডেল্টার সংক্রমণ কিছুটা কমে আসে। তবে গত বছরের শেষ দিকে ভাইরাসটির নতুন ধরন ওমিক্রনের কারণে বিশ্বজুড়ে শুরু হয়েছে করোনা সুনামি।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত