১২ আগস্ট ১৯৫১ ঢাকায় হুরুফুল কোরআন কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনের কার্যবিবরণী ও সিদ্ধান্তসমূহ ইংরেজিতে লিপিবদ্ধ হয়। এর নির্বাচিত অংশ ভাষান্তর করে উপস্থাপন করা হলো।
হুরুফুল কোরআন বা আরবি হরফে পূর্ব পাকিস্তানে বাংলা ভাষা চালুর লক্ষ্যে ১২ আগস্ট ১৯৫১ ঢাকার রহমতউল্লাহ মডেল হাইস্কুলে শর্ষিনার পীর সাহেব এবং পূর্ব পাকিস্তান জামিয়াত-ই-উলামা-ই-ইসলামের প্রেসিডেন্ট আলহাজ মওলানা শাহ সুফি নাসিরুদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে হুরুফুল কোরআন কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়। রাজনৈতিক কিংবা ভিন্ন কোনো তরিকার ৩৫০ জন প্রতিনিধি প্রদেশের বিভিন্ন জেলা থেকে সম্মেলনে যোগ দেন। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকজন হচ্ছেন : মওলানা মুহাম্মদ আকরম খাঁ, মওলানা মুফতি দীন মোহাম্মদ খান (অভ্যর্থনা কমিটির প্রধান), ফজলুল করিম এমএ বিএল, নাজমুল হোসাইন চৌধুরী এমএ (সম্মেলনের সাধারণ সম্পাদক), মওলানা শামসুল হক, মওলানা শাহ আবু জাফর মুহাম্মদ সালেহ, আবদুল হাকিম বিক্রমপুরী, মাজদুদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, আবদুল হামিদ, ফজলুল কাদির চৌধুরী, মওলানা জুলফিকার আলী, স্বামী কালযুগানন্দ, রশিদ আহমেদ জায়গি, দেওয়ান আহবাব চৌধুরী বিদ্যাবিনোদ, মওলানা আবদুল আজিজ, খান বাহাদুর গোলাম মোস্তফা প্রমুখ। বেশ কজন বর্তমান ও সাবেক এমএলও অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন।
বিকেল ৪টায় পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়। হুরুফুল কোরআনের সমর্থনে আরবি হরফে লেখা স্বরচিত বাংলা কবিতা আবৃত্তি করে শোনান শর্ষিনার কবি নুরুদ্দিন। সম্মেলনের সাফল্য কামনা করে যেসব বিশিষ্ট ব্যক্তি শুভেচ্ছা বাণী পাঠিয়েছেন তা পাঠ করে শোনানো হয়।
সভাপতির ভাষণে পীর সাহেব পাকিস্তানের সব মুসলমানকে ইসলামি আদর্শ অনুসরণের আহ্বান জানান এবং ইসলামি আদর্শ বাস্তবায়নের জন্য পূর্ব পাকিস্তানের ভাষা ও সাহিত্যকে কোরআনের হরফ এবং কোরআনের মর্মবাণী অনুসরণ করতে হবে বলে উল্লেখ করেন। তিনি জোর দিয়ে বলেন, এ লক্ষ্যে গণ-আন্দোলন গড়ে তোলার এটাই উপযুক্ত সময়; আঞ্জুমান সংগঠন সৃষ্টির মাধ্যমে এই লক্ষ্য হাসিল করতে হবে। মওলানা মুফতি দীন মোহাম্মদ খান বলেন, বাংলা ভাষা আরবি হরফে লিখিত হলে বাংলা ইসলামি ভাষা পরিবারে অন্তভুক্ত হবে, পশ্চিম পাকিস্তানের মানুষও অনেক কম আয়েশে পূর্ববাংলার ভাষা শিখে নিতে পারবে। মওলানা আকরম খাঁ বলেন, পঞ্চাশ বছর ধরে তিনি জাতির সেবায় নিয়োজিত আছেন। বাংলা ভাষার হরফের বদলে আরবি হরফে বাংলা লেখা হলে তিনি সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। তার ছাপাখানা, তার পত্রিকা (আজাদ), তার প্রকাশনা বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় করে নতুন করে সাজাতে হবে। তবুও প্রদেশের ভাষার মাধ্যমে ইসলামি রেনেসাঁর প্রত্যাশায় তিনি সব উৎসর্গ করতে তৈরি আছেন। ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের অধ্যাপক ডক্টর মহিউদ্দিন বলেছেন, পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর হরফ রয়েছে আরবি বর্ণমালায়; এগুলো কাঠামোগতভাবে সরল এবং অন্য হরফের চেয়ে উন্নতমানের, দ্রুত হাতে লেখার জন্য সবচেয়ে বেশি উপযোগী। তিনি মনে করেন, আরবি হরফে বাংলা ভাষা লিখিত হতে থাকলে দ্রুত আমজনতার মনে শিক্ষা বিস্তার করা সম্ভব। স্বামী কালযুগানন্দ বলেন, শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের দুই বাংলার কমন কালচার হুমকি ঠেকাতে পূর্ববাংলার ভাষায় ‘পাক-অ্যারাবিক’ হরফ দ্রুত চালু করা দরকার। শর্ষিনার সাহেবজাদা আবুজাফর মুহাম্মদ সালিহ সভাকে জানান যে, বাংলার চলমান ব্রাহ্ম হরফ অপসারণ করে আরবি প্রচলনের প্রস্তাব করা হলে শর্ষিনার মজলিশে হাজির পঞ্চাশ হাজার মানুষ তাতে সমর্থন দিয়ে ও সন্তোষ প্রকাশ করে আল্লাহু আকবর ধ্বনি প্রদান করে। হুরুফুল কোরআন আন্দোলন জোরদার করতে পারলে পূর্ববাংলার আপামর জনগণ প্রস্তাবিত এই ভাষা সংস্কারের দাবি জানাবে। সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন আবদুল হামিদ, মাজদুদ্দিন চৌধুরী ও মওলানা শামসুল হক। সভায় সর্বসম্মতিক্রমে নি¤œবর্ণিত প্রস্তাব গৃহীত হয়।
১. যেহেতু পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর থেকেই হুরুফুল কোরআন বা আরবি হরফ বাংলা ভাষার জন্য গ্রহণ করার অবিরাম ও ক্রমবর্ধমান দাবি উঠে আসছে এবং অত্যন্ত দায়িত্বশীল প্রভাবশালী সংগঠন যেমন জামায়াত-ই-উলামায়ে মাশরেকি পাকিস্তান, জামায়াতে মুদারিসিন মাশরেকি পাকিস্তান এবং জামিয়াতে হিজবুল্লাহ ইস্ট পাকিকস্তান ও অন্যরা এ দাবির সঙ্গে একাত্ম হয়ে মনে করছেন এটি প্রদেশের জনগণের মধ্যে শিক্ষাবিস্তারে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ এবং সাংস্কৃতিক পুনর্জাগরণে সহায়ক;
যেহেতু পূর্ব পাকিস্তান প্রদেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আগত বিভিন্ন রাজনৈতিক ও অন্যবিধ আনুগত্যের প্রতিনিধিরা সম্মেলনে উপস্থিত হয়ে নিশ্চিতভাবে এবং জোর দিয়ে হুরুফুল কোরআন বা আরবি ভাষায় হরফে বাংলা ভাষা চর্চার দাবি জানিয়েছেন, যেহেতু উর্দু ও ফারসি ভাষার ক্ষেত্রেও তাই করা হয়েছে, পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশের মানুষের শিক্ষা, সংস্কৃতি ও রাজনৈতিক সুবিধার্থে তার প্রচলন আবশ্যক;
যেহেতু মুসলমানদের কোরআনিক হরফে (আরবি) পবিত্র কোরআন পাঠ বাধ্যতামূলক কর্তব্য এবং যেহেতু সংখ্যালঘুসহ সকল সম্প্রদায়কে আন্তঃপ্রাদেশিক যোগাযোগের জন্য উর্দু ভাষা ব্যবহার করতে হয়, সংস্কৃতভিত্তিক বাংলা ভাষার হরফের বদলে কোরআনের হরফ চালু করা হলে লেখ্য ভাষার বিভিন্ন ধরনের জটিলতা অপসারণ করা সম্ভব হবে, শিশু থেকে বৃদ্ধ সবার জন্য গণশিক্ষার প্রসার সহজ হবে এবং শিক্ষার্থীদের অতিরিক্ত ও ভিন্ন ধরনের হরফ ব্যবহারের বোঝা থেকে মুক্তি দেওয়া যাবে, ভাষার প্রতিবন্ধকতা থেকে অব্যাহতি পেয়ে পশ্চিম পাকিস্তানের মতো তারাও স্বাচ্ছন্দ্য হবে;
যেহেতু হুরুফুল কোরআন সম্মেলন মনে করে বাংলা ভাষা আরবি হরফে প্রচলিত হলে, ফার্সি ও উর্দু এবং অন্য যেসব ভাষা আরবি হরফ গ্রহণ করেছে, তাদের মতোই বাংলা ভাষা ও সাহিত্য সমৃদ্ধ হবে। বাংলা ভাষায় নতুন শব্দ বাগধারা, প্রতীক ও চিত্রকল্প আরবি ও ফার্সি থেকে বিপুল সংখ্যায় প্রবেশ করবে। আরবি ও ফার্সি হচ্ছে ইসলামি সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের মূল উৎস ফলে পূর্ব পাকিস্তানের মুসলমানদের জীবনে দ্রুত
সাংস্কৃতিক রেনেসাঁ আসবে; যেহেতু বহুসংখ্যক আরবি ও ফার্সি শব্দ পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের মাতৃভাষায় এর মধ্যেই মিশে আছে, আরও অনেক শব্দের সেখানে ঠাঁই পেতে কোনো সমস্যা হবে না; শব্দগুলো যখন আরবিতে লেখা হবে তখন সেসব শব্দ তাদের মূলরূপে ফিরে আসবে, ফলে ভুলভাবে উচ্চারিত হওয়ার সমস্যাটি থাকবে না বাংলায় লিখলে যে সমস্যা রয়েই যায়; আরবিতে বাংলা লিখন প্রচলিত হলে পূর্ববাংলার বাংলা ও উর্দুর মধ্যে শব্দে বর্ণে ও আত্মায় ঐক্য প্রতিষ্ঠিত হবে; যেহেতু অতীতকালে আমাদের পূর্ব পুরুষরা কোরআনের হরফে আরবি লিখতেন, শত শত গ্রন্থ ও দলিলে তা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে; যেহেতু উচ্চবর্ণ হিন্দুরা সরকারের সব শিক্ষাবিষয়ক কার্যক্রমের নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করে মুসলিম বাংলা ভাষার ওপর তাদের সংস্কৃতি আরোপ করেছে।
যেহেতু পূর্ব পাকিস্তান ছাড়া পৃথিবীর সর্বত্র আরবি হরফে সবার ভাষা লিখিত হয়, বাংলার ক্ষেত্রেও আরবি গ্রহণ করা হলে সাধারণভাবে পূর্ব পাকিস্তানের সঙ্গে সব মুসলমান রাষ্ট্রের নৈকট্য সৃষ্টি হবে। বিশেষ করে পাকিস্তানের পূর্ব ও পশ্চিম অংশের মধ্যে ভাষাগত ও সাংস্কৃতিক ঐক্য ও আত্মীয়তা সৃষ্টি হবে।
যেহেতু হুরুফুল কোরআন গৃহীত হলে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের সঙ্গে পশ্চিম পাকিস্তানি ভাইরা নিবিড়ভাবে পরিচিত হবে তাতে আমাদের লেখকদের পরিচিতি ও স্বীকৃতি অনেক বেড়ে যাবে।
যেহেতু আরবি হরফে বাংলা ভাষার চর্চার ফলে বিরাজমান সাহিত্যকর্মের সঙ্গে বিচ্ছেদ ঘটবে না বলে সম্মেলন মনে করে, বাংলা সাহিত্যের যেসব গ্রন্থের এখনো চাহিদা রয়েছে তা আরবি হরফে লিখে নেওয়ার পর্যাপ্ত সময় পাওয়া যাবে।
যেহেতু আরবি হরফে বাংলা চালুর ফলে আরবি, ফার্সি, উর্দু ও বাংলা একই হরফে লিখিত হবে মুদ্রণের মূলধন ও আবর্তক ব্যয় অনেকাংশেই কমে যাবে।
যেহেতু ভাষা কমিটি বাংলা ভাষা সংস্কারের সুনির্দিষ্ট সুপারিশ করেছে, তাতে এমনিতেই অনেক পরিবর্তন আনতে হতো, আরবি ভাষা তার আগে গৃহীত হলে সংস্কারের বোঝা থেকে রেহাই পাওয়া যাবে;
যেহেতু সম্মেলনের সুনিশ্চিত মতামত হচ্ছে দেশের আপামর জনগণ চলমান বাংলা হরফ সরিয়ে হুরুফুল কোরআন প্রচলনের দাবি জানাচ্ছেন, দেশব্যাপী জনমত যাচাই করলে তা আরও দৃঢ়ভাবে প্রমাণিত হবে।
যেহেতু দেশের ৮৪ ভাগ মানুষই অশিক্ষিত, প্রস্তাবিত পরিবর্তন গণশিক্ষায় কোনো বাধা না দিয়ে বরং তা আরও ত্বরান্বিত করবে, কারণ কোরআন পাঠের মাধ্যমে অধিকাংশ মানুষই হুরুফুল কোরআন বা আরবি হরফের সঙ্গে বিশেষভাবে পরিচিত।
যেহেতু ভারতীয় প্রভাবশালী নেতারা পূর্ববাংলাকে ভারতের সঙ্গে সংযুক্ত করার কথা বিভিন্নভাবে বলে আসছেন যার পেছনে পশ্চিম ও পূর্ববাংলার সাংস্কৃতিক ঐক্যের যুক্তি দেওয়া হয়েছে যা মূলত মুসলমানদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া বর্ণ হিন্দুদের সংস্কৃতি, আরবি হরফ গ্রহণের মাধ্যমে তা প্রত্যাখ্যান করা হলে একই সঙ্গে সাংস্কৃতিক মুক্তি ও রাজনৈতিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করা যাবে।
যেহেতু জাতীয় পরিষদে পাস হওয়া প্রস্তাব অনুযায়ী পাকিস্তান ইসলামি রাষ্ট্র হিসেবে পরিচিত হবে, কোরআনের হরফে মাতৃভাষা লেখার অধিকার সবারই থাকবে অতএব, সম্মেলনের সিদ্ধান্তসমূহ :
১. ক. পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের কাছে প্রস্তাবিত হুরুফুল কোরআনের সুবিধাগুলো ব্যাখ্যা করা হবে এবং তার স্বীকৃতির জন্য তাদের দিয়ে প্রাদেশিক ও কেন্দ্রীয় সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করা হবে।
খ. পূর্ব পাকিস্তান সরকারকে অনুরোধ করা হবে যেন
১. মাদ্রাসায় আরবি হরফে বাংলা লেখার দাবি গ্রহণ করতে হবে।
২. স্কুল ও কলেজে এবং সমগ্র দেশে বাংলার পরিবর্তে আরবি হরফ গ্রহণ বাস্তবায়নের ১০ বছর মেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে।
৩. হরফ পছন্দের অধিকার নাগরিকের থাকবে এবং তা বাস্তবায়নে সব বাধা দূর করে দিতে হবে।
২. বাংলা ভাষা আরবি হরফে লেখার দাবি বাস্তবায়নের পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য প্রতিনিধিদল মুখ্যমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবে।
৩. ভারত সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ভারতীয় মুসলমানরা যেমন দেবনাগরী হরফ গ্রহণ করেছে, তেমনি পূর্ব পাকিস্তানের সংখ্যালঘুদেরও অনুরোধ করা হবে তারা যেন আরবি হরফকে গ্রহণ করেন।
৪. পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের অবাঙালি জনগণকে অনুরোধ করা হবে তারা যেন আরবিতে লিখিত বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে পরিচিত হন, তাতে পাকিস্তানের দুই অংশের সমঝোতা বৃদ্ধি পাবে এবং জাতীয় সংহতি জোরদার হবে।
৫. আরবি হরফে বাংলা চালুর দাবির প্রধান অগ্রদূত চট্টগ্রামের মওলানা জুলফিকার আলীকে সম্মেলন শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে। তিনি পাকিস্তান সৃষ্টির বহু বছর আগে থেকেই নিজের সহায় সম্পদ বিসর্জন দিয়ে হুরুফুল কোরআন প্রতিষ্ঠার আন্দোলন করে আসছিলেন।
৬. পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় সরকার হুরুফুল কোরআন আন্দোলনকে স্বীকৃতি দিয়ে এর পৃষ্ঠপোষকতা করবে।
আরও কিছু দাবির সঙ্গে আনজুমান হুরুফুল কোরআন, পূর্ব পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার ঘোষণাও প্রদান করা হয়। আনজুমানের দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের মধ্যে মওলানা মুহাম্মদ আকরম খাঁ, মুফতি দীন মুহাম্মদ খান, শর্ষিনার পীর প্রমুখ ছিলেন।
(হরফ আরবি হবে কি না এ প্রশ্নে যদি গণভোট সত্যিই হতো এবং গণতান্ত্রিক রায় বাস্তবায়িত হতো তাহলে এখন যে হরফে বাংলা লিখছি, তা পারতাম কি না আমি সন্দিহান।)
লেখক কথাসাহিত্যিক ও অনুবাদক
