পূর্ণিয়া সামিয়ার প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘হলদে রোদ ও মেয়েটা’ প্রকাশ হয়েছিল ২০২০ সালের অমর একুশে বইমেলায়। ওই বছর প্রথম প্রকাশিত বই নিয়ে ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিল দেশ রূপান্তর। সামিয়ার বইটির খবরও ছিল সেই প্রতিবেদনে।
দুই বছর পর সামিয়ার সঙ্গে কথা বলে জানা গেল, নিয়মিত লেখালেখির সঙ্গে যুক্ত আছেন এই তরুণ লেখক। প্রথম বই প্রকাশের পরের বছরই একুশের বইমেলায় প্রকাশ হয় সামিয়ার লেখা ‘বার্নিং স্মেইল’, ‘চ্যাট বক্স’ ও ‘কাকিলাজানের বাহাস’ নামের আরও তিনটি বই। এবারের বইমেলায় প্রকাশ হয়েছে ‘পূর্ণতে লীন’ নামের আরেকটি কবিতার বই।
পূর্ণিয়া সামিয়া বলেন, ‘কাকিলাজানের বাহাস’ বইটি ছিল মূলত যুগলবন্দি কবিতা নিয়ে। এতে ‘পদ্মা নদীর মাঝি’র কুবের ও কপিলা চরিত্রকে তুলে এনেছি একটু ভিন্নরূপে। এবারের ‘পূর্ণতে লীন’ বইটিও কবিতার।
কেন লেখালেখি করেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘কবিতা লিখি খুব বেশি ভালোলাগা থেকে। লেখায় রূপ দিয়ে আসলে নিজের সঙ্গে নিজেই গল্প করি। তবে কেউ যখন আমার লেখা পড়ে এবং প্রতিক্রিয়া জানায়, তখন খুব ভালো লাগে। মনে হতো আমার অনুভূতি কাউকে নাড়া দিচ্ছে। এর অন্যরকম আনন্দ হয়। তাই আমি চাই, আমার লেখাগুলো পাঠকের ভাবনায় নাড়া দিক। তারা প্রতিক্রিয়া জানাক।’
