দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে বড় সংগ্রহ এনে দিয়েছিলেন লিটন দাস ও মুশফিকুর রহিম। তবে বাংলাদেশের ইনিংস শেষে থাকলো অতৃপ্তিও। স্বস্তির সংগ্রহের ওপর দাঁড়িয়ে কোনো ক্যামিও উপহার দিতে পারলেন না মাহমুদউল্লাহ (৬) ও আফিফ হোসেন (১৩)।
তার মধ্যে শেষ ওভারে ফজলহক ফারুকির স্লো শর্ট বলে বাংলাদেশ নিতে পারল মাত্র ৪ চার। এর আগের ওভারে ৬। তিনশ’ পেরোনো স্কোর পেলেও টাইগাররা ইনিংসটাকে যে আরেকটু বড় করতে পারতো, তা বলায় যায়। শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের সংগ্রহ ৪ উইকেটে ৩০৬ রান।
১৮৬ বলে ২০২ রানের জুটি গড়েন লিটন-মুশফিক। ওয়ানডেতে বাংলাদেশের হয়ে চতুর্থ উইকেটে যা সর্বোচ্চ সংগ্রহও। দলীয় ২৮৫ রানে পেসার ফরিদ আহমেদ মালিক পরপর দুই বলে সাজঘরে ফেরান এই দুই ব্যাটার-উইকেটরক্ষককে।
স্লো শর্ট বলে ব্যাট চালান লিটন। বল সরাসরি গিয়ে পড়ে ডিপ স্কয়ার লেগে দাঁড়ানো মুজিব উর রহমানের হাতে। এর পরের শর্ট বলে থার্ডম্যানে ফারুকির হাতে বন্দী মুশফিক। ১৪ রানের আক্ষেপ নিয়ে ফিরতে হয় তাকে। ৯৩ বলে ৯ চারে ৮৬ রানের ইনিংসটি সাজিয়েছিলেন মুশি। এই ইনিংস খেলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ১১ হাজার রানের মাইলফলকে পা রাখেন তিনি।
তার আগে ওয়ানডে ক্যারিয়ারের চতুর্থ ফিফটিকে পঞ্চম সেঞ্চুরি বানিয়ে নেন লিটন। যা আফগানদের বিপক্ষে প্রথমও। টাইগার ওপেনার ১২৬ বলে ১৬ চার ও ২ ছয়ে থামেন ১৩৬ রানে।
চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে আফগানিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে টস জিতে অধিনায়ক-ওপেনার তামিম ইকবালকে নিয়ে ব্যাটিংয়ে নামেন লিটন। কিন্তু আবারও ফারুকি এলবিডব্লিউর ফাঁদে পড়েন তামিম (১২)। এরপর সাকিব আল হাসানের সঙ্গে ৪৫ রানের জুটি গড়েন লিটন। নিজের প্রথম ওভার করতে এসেই সাকিবকে (২০) এলবিডব্লিউ করেন রশিদ খান।
