ডিএমপির অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

পুলিশ জঙ্গি দমন নিয়ে দেশে-বিদেশে প্রশংসা পাচ্ছে

আপডেট : ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ০২:০০ এএম

জঙ্গি দমন নিয়ে পুলিশ দেশে-বিদেশে ভূয়সী প্রশংসা পাচ্ছে। কিছুদিন আগেও ভারতের প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ পুলিশের প্রশংসা করেছেন। জঙ্গি দমন নিয়ে পুলিশের কার্যক্রমকে স্বাগত জানিয়েছেন। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ৪৭তম প্রতিষ্ঠা দিবস অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান এসব কথা বলেন।

গতকাল শনিবার বিকেলে রাজারবাগ পুলিশ লাইনস মাঠে ডিএমপির নাগরিক সম্মিলনে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

এর আগে বিকেল ৩টার দিকে ডিএমপি সদর দপ্তর থেকে বর্ণাঢ্য র‌্যালি রাজারবাগ পুলিশ লাইনসের দিকে যাত্রা শুরু করে। এরপর বিকেল সাড়ে ৪টার দিক কেক কেটে ডিএমপির প্রতিষ্ঠা দিবসের অনুষ্ঠান উদ্বোধন ঘোষণা করা হয়। অনুষ্ঠানে ডিএমপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পুলিশ জনবান্ধব হয়েছে। বঙ্গবন্ধু এমন একটি পুলিশ বাহিনীর কথা বলেছিলেন। জনতার পুলিশ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন। মহামারীতে যখন ছেলে মায়ের লাশ ফেলে পালিয়েছে, তখন পুলিশ তাদের পাশে দাঁড়িয়েছিল।

তিনি বলেন, ‘একটি টেকসই উন্নয়নের জন্য টেকসই শান্তি দরকার। টেকসই শান্তির কাজটি পুলিশ করে যাচ্ছে। রাজধানীতে ধর্মীয়, রাজনৈতিকসহ বিভিন্ন ধরনের অনুষ্ঠান হয়ে থাকে। এই ক্ষেত্রে পুলিশ ঠিকঠাক দায়িত্ব পালন করছে বলেই আমরা একটি নির্ভরযোগ্য শহরে বসবাস করছি।’

জনবহুল রাজধানীতে পুলিশ দক্ষতার সঙ্গে কাজ করছে উল্লেখ করে মন্ত্রী ডিএমপিকে ধন্যবাদ জানান।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের জ্যেষ্ঠ সচিব মো. আখতার হোসেন বলেন, পুলিশের তৎপরতার কারণে আজ দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অনেক ভালো আর এটি ধরে রাখতে হবে।

পুলিশের মহাপরিদর্শক ড. বেনজীর আহমেদ বলেন, জননিরাপত্তা বিধান পুলিশের বড় দায়িত্ব। শহরের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। ঢাকা শহরকে কেন্দ্র করেই উন্নয়ন হচ্ছে, উন্নয়নের অভিযাত্রা সচল রাখতে হলে ডিএমপিকে রাজধানীতে শান্তিপূর্ণ রাখতে হয়। ডিএমপি এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় মুনশিয়ানার পরিচয় দিয়েছে।

ডিএমপিকে বাংলাদেশ পুলিশের মুখ বলা হয় উল্লেখ করে আইজিপি আশা প্রকাশ করেন যে আগামী দিনগুলোতেও সেবা, দায়িত্ব ও কর্তব্যবোধের মাধ্যমে তারা নগরবাসীর প্রত্যাশা পূরণ করবে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডিএমপি কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘পুলিশে যারা দুষ্টলোক আছে, তাদের বিরুদ্ধে আমাদের জিহাদ চলছে। টাকা দিয়ে কোনো চাকরি ও পদায়ন হবে না। টাকা-তদবির করে ডিএমপিতে কোনো কর্মকর্তার পদায়ন হয়েছে, এটা কেউ বলতে পারবেন না। এ বিষয়ে আমি প্রকাশ্যে চ্যালেঞ্জ দিলাম।’

কমিশনার আরও বলেন, ‘আমরা এমন বাহিনী রেখে যেতে চাই যারা আপনার-আমার বিপদে এগিয়ে আসবে, পাশে দাঁড়াবে।’ বাংলাদেশ পুলিশের যত অর্জন সবকিছুর পেছনে প্রধানমন্ত্রীর হাত রয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত