সাধারণ বীমা খাতের কোম্পানি মেঘনা ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) অনুমোদন পেয়েছে। আইপিওর মাধ্যমে কোম্পানিটি পুঁজিবাজার থেকে ১৬ কোটি টাকা সংগ্রহ করতে পারবে। গতকাল পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) নিয়মিত সভায় মেঘনা ইন্স্যুরেন্সের আইপিওর অনুমোদন দিয়েছে। এসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মোহাম্মদ রেজাউল করিম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
আইপিওর মাধ্যমে মেঘনা ইন্স্যুরেন্স ১০ টাকা অভিহিত মূল্যে ১ কোটি ৬০ লাখ শেয়ার ইস্যু করবে। বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের আইন পরিপালনের জন্য কোম্পানিটিকে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (পাবলিক ইস্যু), রুলস, ২০১৫-এর রুল ৩(২)(পি) থেকে অব্যাহতি দিয়ে অর্থ সংগ্রহের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। আইপিওর মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থ দিয়ে কোম্পানিটি পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ, সরকারি ডিপোজিট ক্রয়, স্থায়ী আমানতে বিনিয়োগ ও আইপিও খরচ খাতে ব্যয় করবে। মেঘনা ইন্স্যুরেন্স কোম্পানিটি ২০২১ সালের ৩১ মার্চ অনুযায়ী নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণী অনুযায়ী শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ (এনএভি) দাঁড়িয়েছে (পুনর্মূল্যায়ন ছাড়া) ১৬ টাকা ৪১ পয়সা। ২০২১ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত তিন মাসে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৮৩ পয়সা এবং গত পাঁচ বছরের ভারিত গড় হারে ইপিএস হয়েছে ৫৬ পয়সা। উল্লেখ্য, পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির আগে কোম্পানিটি কোনো প্রকার লভ্যাংশ ঘোষণা, অনুমোদন বা বিতরণ করতে পারবে না।
আইপিওতে কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করছে এশিয়ান টাইগার ক্যাপিটাল পার্টনার্স ইনভেস্টমেন্টস, প্রাইম ব্যাংক ইনভেস্টমেন্ট এবং ইউসিবি ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড। ১৯৯৬ সালে বাণিজ্যিক কর্মকান্ড শুরু করা মেঘনা ইন্স্যুরেন্সের পরিশোধিত মূলধন ২৪ কোটি টাকা, যা আইপিও-পরবর্তী সময়ে ৪০ কোটি টাকায় উন্নীত হবে। ২০২১ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত কোম্পানির মোট সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১০৯ কোটি ৭৩ লাখ টাকা।
