অষ্টম শ্রেণি : শারীরিক শিক্ষা ও স্বাস্থ্য

আপডেট : ০৪ মার্চ ২০২২, ১২:৪৬ এএম

পঞ্চম অধ্যায় : জীবনের জন্য খেলাধুলা

সাধারণ প্রশ্ন

১. দ্রুতগতির ফুটওয়ার্কই ভালো ব্যাডমিন্টন খেলোয়াড় হওয়ার পূর্বশর্ত ব্যাখ্যা করো।

ভূমিকা : ব্যাডমিন্টন মূলত ইনডোর গেমস। আমাদের দেশের আবহাওয়া অর্থনৈতিক বিবেচনায় ব্যাডমিন্টন খেলা মৌসুমভিত্তিক (শীতকালীন) খেলা হিসেবে বিশেষভাবে পরিচিত। পৃথিবীর অন্যান্য খেলার মতো ব্যাডমিন্টন খেলারও কিছু মৌলিক কলাকৌশল রয়েছে। যে কলাকৌশল অর্জনের মাধ্যমে ভালো খেলোয়াড় হওয়া যায়।

ব্যাডমিন্টনের কলাকৌশল

ব্যাডমিন্টনের কলাকৌশল ৭ প্রকার। যেমন-

১. র‌্যাকেট ধরা                 ২. পায়ের কাজ বা ফুটওয়ার্ক

৩. সার্ভিস ও রিসিভিং                    ৪. ফোর হ্যান্ড স্ট্রোক

৫. ব্যাক হ্যান্ড স্ট্রোক                    ৬. ওভার হ্যান্ড স্ট্রোক

৭. নেট স্ট্রোক

এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কৌশল হলো ফুটওয়ার্ক। ব্যাডমিন্টন একটি দ্রুতগতি সম্পন্ন খেলা। তাই এই খেলায় পায়ের কাজ খুব দ্রুত হয়ে থাকে। ফুটওয়ার্ক যার যত বেশি দ্রুত সে তত বেশি ভালো খেলোয়াড়। বিভিন্ন অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে খুব দ্রুত গতিতেই নিজেকে খাপ খাইয়ে নেওয়ার প্রয়োজন দেখা দেয়। এখানে পায়ের ফুটওয়ার্ক ভালো না হলে শাটল কক সঠিক ভাবে সঠিক স্থানে পাঠানো বা ফেরানো যায় না। ভালো ফুটওয়ার্ক আয়ত্ত করতে পারলেই দ্রুততার সঙ্গে শাটল ককের কাছে পৌঁছাতে পারে এবং পছন্দ মতো কোর্টে শাটল কক ফেরত পাঠাতে পারে। দ্রুতগতি ফুটওয়ার্ক না হলে খেলায় ছন্দপতন ঘটে এবং বিপরীত টিম (দল) জয়লাভ করে। কাজেই ব্যাডমিন্টন খেলায় ভালো খেলোয়াড় হতে হলে দ্রুতগতির ফুটওয়ার্ক কৌশল অর্জন/আয়ত্ত করার বিকল্প নেই।

২. প্রতিযোগিতামূলক সাঁতার কত প্রকার ও কী কী? মুক্ত সাঁতারের নিয়মাবলি লেখ।

ভূমিকা : জীবন রক্ষার তাগিদ থেকেই সাঁতারের উৎপত্তি। শুরুর দিকে সাঁতারে কোনো প্রতিযোগিতা না থাকলেও সভ্যতার বিকাশ ও কালের পরিবর্তনে সাঁতার, খেলাধুলা এবং প্রতিযোগিতায় রূপ নেয়।

সাঁতারের প্রকারভেদ : প্রতিযোগিতামূলক সাঁতারকে চার ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যেমন

১. মুক্ত সাঁতার                 ২. চিৎ সাঁতার

৩. বুক সাঁতার                  ৪. প্রজাপতি সাঁতার

মুক্ত সাঁতারের নিয়মাবলি : মুক্ত সাঁতারের কিছু নিয়মাবলি রয়েছে। যেমন

১. মুক্ত সাঁতার আরম্ভ ব্লকে উঠে শুরু করতে হয়।

২. মুক্ত সাঁতার উপুড়  হয়ে সাঁতার কাটতে হয়।

৩. পা পানির নিচে সাধারণত ১২-১৮ ইঞ্চি পরিমাণে যায়।

৪. অন্য প্রতিযোগীর লেনে গিয়ে বাধার সৃষ্টি করতে পারবে না।

৫. পানির নিচে দিয়ে সাঁতার কাটা যাবে না।

৬. টার্নিংয়ের সময় শরীরে যেকোনো অংশ দিয়ে টার্নিং করা যাবে।

৭. সমাপ্তি যেকোনো অবস্থায় করা যাবে।

৮. হাতের কাজ পানির নিচে ঝ এর মতো হবে।

পরিশেষে আমরা বলতে পারি মুক্ত সাঁতারের ক্ষেত্রে উপরোক্ত নিয়মগুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিযোগিতার সময় এই নিয়মগুলো না মানলে প্রতিযোগীকে অযোগ্য ঘোষণা করা হয়।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত