কাজের ফাঁকে পাওয়ার ন্যাপ বা অল্প সময়ের ঘুম দেন অনেকেই। এই ন্যাপ মানে ঠিক ঘুম নয়, কয়েক মিনিটের জন্য একটু ঝিমুনি। আর এটিই শরীরে কাজ করে ওষুধের মতো। তবে এই ঘুম যদি মিনিট থেকে ঘণ্টায় পেরিয়ে যায় তাহলে তা ভালোর থেকে খারাপই হয় বেশি। জেনে রাখুন পাওয়ার ন্যাপের ভালো-মন্দ
পাওয়ার ন্যাপের উপযোগিতা : গবেষকরা বলছেন, ঘুম কম হলে আমাদের শরীরে কর্টিসল হরমোনের ক্ষরণ বেড়ে যায়। এই হরমোনের প্রভাবে বেড়ে যায় মানসিক চাপ। দিনে অল্প সময়ের জন্য ঘুমে কর্টিসলের ক্ষরণ কমানো যায়। একটানা কাজের ফাঁকে হালকা ন্যাপ নিলে একঘেয়েমি কাটে। একাগ্রতা বাড়ে, সৃজনশীলতাও। আরও বেশি কাজে মন দেওয়া যায়, উদ্যম ও উৎসাহ দুই বাড়ে। একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতিদিন অন্তত ২০ মিনিটের পাওয়ার ন্যাপ নিলে স্মৃতিশক্তি বাড়ে। এক ঘণ্টা ন্যাপ নিলে অনেক বেশি মনে রাখা যায়।
ন্যাপের সময় : ২০ থেকে ২৫ মিনিটের পাওয়ার ন্যাপ আদর্শ। অনেকেই কাজের ফাঁকে এমন ঘুম দেন। কিন্তু ২৫ মিনিটের বেশি সময়ের জন্য যদি ঘুমিয়ে পড়েন, তাহলে ওঠার পর আরও ক্লান্ত লাগবে, আরও বেশি ঘুম পাবে এবং কাজে কিছুতেই মন বসবে না। দিনে বেশি ঘুমোলে রাতে কিছুতেই ঘুম আসতে চায় না। সতর্কতা ও এনার্জি বাড়ানোর জন্য ১০ থেকে ২০ মিনিটের পাওয়ার ন্যাপ আদর্শ। ঘুম থেকে ওঠা সহজ হয় এবং স্টামিনাও বাড়ে। ঘটনা, চেহারা ও নাম মনে রাখার জন্য এই ৬০ মিনিটের ন্যাপ সবচেয়ে উপকারী। যদিও ঘুম ভাঙার পর একটু অলস লাগে।
