নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে সিটি গ্রুপের তীর সয়াবিন তেলের গোডাউন এবং বাংলাদেশ এডিবল ওয়েল লিমিটেডের রূপচাঁদা ওয়েল মিলে অভিযান চালিয়েছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত এ অভিযান চলে। তবে এ অভিযানে মিল থেকে তেল সরবরাহে কোনো অনিয়ম পায়নি অধিদপ্তর। সংস্থাটির কর্মকর্তারা বলছেন, সাপ্লাই চেনের কোথায় কারসাজি হচ্ছে এখন তারা সেটি খোঁজার চেষ্টা করছেন।
অধিদপ্তরের পরিচালক মঞ্জুর মোহাম্মদ শাহরিয়ারের নেতৃত্বে পরিচালিত ওই অভিযানে সহকারী পরিচালক আবদুর জব্বার মণ্ডল, ফাহমিনা আক্তার, সেলিমুজ্জামানসহ অন্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
মঞ্জুর মোহাম্মদ শাহরিয়ার বলেন, মিলমালিকসহ প্রতিষ্ঠানগুলোর সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে গতকালের (বুধবার) বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছিল আজ (বৃহস্পতিবার) থেকে প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে আমরা যাচাই-বাছাই করব।
সেই মোতাবেক আমরা বিভিন্ন কারখানা পরিদর্শন ও তদারকি শুরু করেছি। বিভিন্ন তথ্য এখানে যাচাই-বাছাই করছি।
এই কর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা সিটি গ্রুপের মিলের একজন পরিচালকের উপস্থিতিতে মিল থেকে তেল সরবরাহ কম দেওয়া হচ্ছে কি না না, ট্রাকে মাল উঠছে কি না সেটি দেখছি। আমরা দেখেছি, মিলে সরবরাহ স্বাভাবিক আছে। সাধারণ মানুষের কাছে যে তথ্য ছড়ানো হয়েছে মিলে সয়াবিন নেই, সেটি মিথ্যা। মিলে সরবরাহ স্বাভাবিক আছে। সাপ্লাই চেনের কোথায় ঘাপলা হচ্ছে আমরা সেটি বের করার চেষ্টা করছি। এ ছাড়া কিছু অসাধু ব্যবসায়ী মূল্য বাড়িয়েছে কি না সেটিও খতিয়ে দেখা হবে।’
মঞ্জুর মোহাম্মদ শাহরিয়ার বলেন, ‘তীর এবং রূপচাঁদার মিল পরিদর্শন করে পর্যাপ্ত পরিমাণ সয়াবিন তেল মজুদ আছে আমরা দেখেছি। সেই সঙ্গে জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি ও মার্চ মাসের সরবরাহ কাগজপত্রও দেখেছি স্বাভাবিক আছে। তবে দুই মিলেই সরকারি ফরম আছে কিন্তু মানা হচ্ছে না।’
তিনি বলেন, ‘ক্রয়-বিক্রয়ের সময় অবশ্যই ইউনিট মূল্য চালানে উল্লেখ থাকতে হবে। সেটি কোনো মিলেই পাইনি। সরকারি নির্দেশনা মেনে ব্যবসা পরিচালনা করার জন্য দুই মিলকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’
