দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এবং মুজিববর্ষে শতভাগ বিদ্যুতায়ন সফলভাবে সম্পন্ন করায় বিদ্যুৎ বিভাগকে স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২২ প্রদানের জন্য মনোনীত করা হয়েছে। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের বিদ্যুৎ বিভাগ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
পুরস্কারের বিষয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ দেশ রূপান্তরকে গতকাল বুধবার টেলিফোনে বলেন, ‘স্বাধীনতা পুরস্কার বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পুরস্কার। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরাসরি বিদ্যুৎ খাতের উন্নয়নের জন্য নেতৃত্ব দিয়েছেন। সে কারণে মাত্র ৪ হাজার ৯০০ মেগাওয়াট বিদ্যুতের স্থাপিত ক্ষমতা বেড়ে ক্যাপটিভ-সহ এখন ২৫ হাজার মেগাওয়াটে দাঁড়িয়েছে। বিদ্যুতের এই অভাবনীয় অর্জন প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্ব ছাড়া কোনোভাবেই সম্ভব হতো না। বিদ্যুৎ বিভাগের এই পুরস্কার সে কারণে প্রধানমন্ত্রীই বড় কৃতিত্বের দাবিদার।
তিনি বলেন, বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও প্রকৌশলীরা রাতদিন খেটেছেন। এই পুরস্কারের অংশীজনও তারাও। সারা দেশে বিদ্যুৎ পৌঁছে যাওয়ার কারণে অতি দরিদ্র মানুষ যেসব জেলায় বাস করেন তাদের জীবনের উন্নয়ন হয়েছে। বিদ্যুৎ ব্যবহার করে মানুষ বহু ধরনের কর্মকাণ্ড করছেন। একটার পর একটা জনপদ পাল্টে গেছে বিদ্যুতের কারণে। দেশের মানুষের ভাগ্য বদলে বিদ্যুতের ইতিবাচক ভূমিকার জন্য দেশের সর্বোচ্চ পুরস্কার স্বাধীনতা পদক পাওয়ার এই অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন।
