২০২২-এ এসেও মানুষের অধিকার থেকে বঞ্চিত তৃতীয় লিঙ্গের মানুষরা। কিন্তু আস্তে আস্তে নিজেদের চেষ্টায় তারা সমাজের নানা জায়গায় ভালো কাজ করছেন। তৃতীয় লিঙ্গের মানুষের অধিকার নিয়ে কাজ করছে ‘সী ম্যান ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন’। গত শুক্রবার রাতে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে এই ফাউন্ডেশনের ১০ বছর পূর্তি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দেশের অন্যতম জনপ্রিয় চিত্রনায়ক বাপ্পী চৌধুরী। তার উপস্থিতি ট্রান্সজেন্ডারদের দারুণভাবে উৎসাহিত করে। একই সঙ্গে প্রগতিশীল মানুষরা বাপ্পীর মতো নায়ককে এ ধরনের উদ্যোগে শামিল করায় প্রশংসা করছেন। কিন্তু একদল নেতিবাচক মানসিকতার মানুষ এই মহান কাজটি নিয়েও ট্রোল করতে ছাড়েনি। বিষয়টি নিয়ে দেশ রূপান্তরকে বাপ্পী চৌধুরী বলেন, ‘আমি একজন শিল্পী। বিনোদন দেওয়াই শুধু আমার কাজ নয়। আর নিজের ইমেজ ধরে রাখতে শুধু বড় মাপের মানুষের সঙ্গেই ওঠাবসা করব, সেটা কোনো শিল্পীর কাজ নয়। আমি সারা বিশে^র নিপীড়িত ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পক্ষে কথা বলতে চাই। সেই ভাবনা থেকেই তৃতীয় লিঙ্গের মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছি। আমার জন্য যদি তাদের কোনো উপকার হয় সেটি আমি কেন করব না?’ বিষয়টি নিয়ে সী ম্যান ফাউন্ডেশনের সভাপতি রানী চৌধুরী বলেন, ‘একজন এত বড় সুপারস্টার আমাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে। এমন প্রগতিশীল তারকা দেশে কজন আছে? অনেকেই তো আমাদের পাশে দাঁড়াতে আপত্তি করে। সেখানে বাপ্পী চৌধুরীকে বাহবা না দিয়ে একদল নিচু মানসিকতার মানুষ তাকে হেয় করছে। এদের জন্যই আমরা আমাদের অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছি।’
×
