এ বি সি ডিতেই আছি

আপডেট : ০৩ এপ্রিল ২০২২, ১১:১২ পিএম

মানসম্মত কাজে ভালো অভিনয় করে দর্শকমনে আলাদা অবস্থান তৈরি করেছেন লাক্সতারকা নাযিফা তুষি। ঈদে আসছে নতুন ওয়েব সিরিজ। এই তারকার সঙ্গে কথা বলেছেন মাসিদ রণ

ব্যস্ততা...

মডেলিং করছি নিয়মিত। এছাড়া প্রতি শুক্র ও শনিবার সৈয়দ জামিল আহমেদের একটি কর্মশালায় অংশ নিচ্ছি। প্রায় তিন মাসব্যাপী এই কর্মশালাটি আগামী ১৫ এপ্রিল নাগাদ শেষ হবে। এরপর দেশীয় একটি ওটিটি প্ল্যাটফর্মের জন্য নতুন একটি ওয়েব সিরিজের শ্যুটিং করব। এই কাজটির চরিত্র যে খুব বেশি চ্যালেঞ্জিং তা বলব না। তবে এর শ্যুটিংয়ের ধরন আমাদের দেশের অভিনয়শিল্পীদের জন্য বেশ অভিনব। তাই নতুন এই ধরনের সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নিতে লম্বা সময় প্রস্তুতি ও রিহার্সেল করতে হবে। এটাকে ঠিক ওয়ান টেক ফিকশন বলা যাবে না। তবে যত কম টেকে শ্যুটিং শেষ করা যায়, সেই চেষ্টা থাকবে। বুঝতেই পারছেন, ভুল করার সুযোগ থাকবে না। তাই অনেক বেশি প্রস্তুতি নিয়ে সেটে যেতে হবে।

কর্মশালা...

এখন যে কর্মশালাটি করছি সেটিও আমাকে ঋদ্ধ করছে। যদিও এই কর্মশালাটি মূলত ডিরেক্টরিয়াল থিওরি বেইসড, কিন্তু স্যার সব সময় অভিনেতাদের দৃষ্টিকোণকে প্রাধান্য দেন। তাই আমার জন্য এটি বেশ সহায়ক। এর আগে স্যারের অভিনয়ভিত্তিক কর্মশালার প্রথম অংশ করেছি। সামনে দ্বিতীয় অংশ শুরু হবে। তার আগে স্ক্রিপ্ট অ্যানালাইসিস নিয়ে আরেকটি কর্মশালা হবে। আমি আসলে স্যারের সব কর্মশালাই করতে চাই। আমি একজন শিল্পী। শিল্পের এ বি সি ডিতেই আছি। একেবারে এ টু জেড- সব জানতে চাই। যাতে নিজের মতো করে শিল্পের কবিতা, গদ্য লিখতে পারি। আর যদি আংশিক করি, তাতে মনে হবে শুধু কিছু মুখস্থ লাইন লিখে আউড়ে যাচ্ছে।

ঈদে ‘সিন্ডিকেট’...

ঈদে চরকির পর্দায় আসবে আমার অভিনীত ওয়েব সিরিজ ‘সিন্ডিকেট’। শিহাব শাহিব সব সময় পছন্দের নির্মাতা। তিনি যখন আমাকে কাজের প্রস্তাব দিলেন তখন আমি কেবল সড়ক দুর্ঘটনা থেকে কিছুটা সেরে উঠেছি। তখনো ভারতে গিয়ে চিকিৎসা নেওয়া বাকি। তারা আমার জন্য কাজের তারিখ পেছালেন। এত ভালো লাগল, তাই খুব মন দিয়ে কাজ কাজ করলাম। এবারই প্রথম আফরান নিশোকে পেলাম সহশিল্পী হিসেবে। এত দিন কাজ হয়নি, তাই তাকে নিয়ে ভিন্ন ধারণা পোষণ করতাম। কিন্তু কাজ করতে গিয়ে অন্য এক নিশোকে আবিষ্কার করেছি। তিনি একটি দৃশ্য ভালো করার জন্য সব ধরনের সহযোগিতা করেন সহশিল্পীকে। খুব ভালো মেকাপের ধারণা তার। আমার একটা সিনে প্রস্থেটিক মেকাপ দরকার পড়ে। সেখানেও সাহায্য করলেন। আশা করছি কাজটি দর্শকের ভালো লাগবে।

স্বাচ্ছন্দ্য...

একজন শিল্পীর স্বাচ্ছন্দ্য খোঁজা উচিত নয়। আমি ব্যক্তিগতভাবে জীবনঘনিষ্ঠ কাজ করতে পছন্দ করি। কিন্তু তার মানে এই নয় যে জনপ্রিয় ঘরানার কাজ করব না। যদি সেই কাজেও আমি চ্যালেঞ্জ বোধ করি অবশ্যই কাজটি করব। আমি করছিও তাই, যেমন কাজ করছি রায়হান রাফি, মিজানুর রহমান আরিয়ান, শিহাব শাহিনের মতো জনপ্রিয় ঘরানার নির্মাতার সঙ্গে, তেমনি আর্ট ঘেঁষা নির্মাতা মেজবাউর রহমান সুমনের ‘হাওয়া’ ছবিটিও করলাম। আমি আসলে সব কাজই করতে চাই। দিনশেষে একজন শিল্পীর সার্বিক গ্রহণযোগ্যতার জন্য সব কাজই দরকার।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত