অস্ট্রেলিয়া দলে তার ভূমিকা মূলত বোলার হিসেবে। ঐতিহাসিক পাকিস্তান সফরে অজিদের টেস্ট সিরিজ জিতিয়ে আইপিএল খেলতে কলকাতা নাইট রাইডার্সে ফেরেন প্যাট কামিন্স।
আর ফিরেই কিনা কাঁপালেন পুনের মহারাষ্ট্র ক্রিকেট স্টেডিয়াম! বুধবার রাতে মুম্বাই ইন্ডিয়ানসের বিপক্ষে বল হাতে দুই উইকেট নেওয়ার পর ব্যাট হাতে তুললেন ঝড়। যার মধ্যে ড্যানিয়েল সামসের এক ওভারে ২ চার ও ৪ ছয়ে ৩৫ রান নিয়ে দলকে পৌঁছে জয়ের বন্দরে।
কামিন্স ১৫ বলে খেললেন ম্যাচ জেতানো অপরাজিত ৫৬ রানের ইনিংস। যেখানে তিনি ১৪ বলে উদ্যাপন করেন মাইলফলক গড়া ফিফটি। মোট ৪ চারের পাশাপাশি ৬টি ছক্কা হাঁকিয়েছেন কামিন্স।
আইপিএলে সবচেয়ে কম বলে ফিফটিতে যুগ্মভাবে শীর্ষ আসনে বসলেন কামিন্স। এর আগে ২০১৮ সালে মোহালিতে দিল্লি ক্যাপিটালসের বিপক্ষে ১৪ ফিফটি করেছিলেন লোকেশ রাহুল।
এই তালিকায় ১৫ বলে ফিফটি করে পরের স্থানে ইউসুফ পাঠান (প্রতিপক্ষ সানরাইজার্স হায়দারাবাদ, ২০১৪, কলকাতা) ও সুনীল নারাইন (প্রতিপক্ষ রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু, ২০১৭ বেঙ্গালুরু)।
মুম্বাইকে পেলেই যেন জ্বলে ওঠেন কামিন্স। দলটির বিপক্ষে অজিদের টেস্ট অধিনায়কের শেষ তিন ম্যাচের রান— ১২ বলে ৩৩, ৩৬ বলে ৫৩* ও ১৫ বলে ৫৬* রান।
মুম্বাইয়ের বিপক্ষে ঝোড়ো ফিফটিতে রাহুলের রেকর্ডে ভাগ বসানোর পাশাপাশি সুরেশ রায়নার একটি রেকর্ডও ভেঙে দিয়েছেন কামিন্স। অজি পেসার ফিফটি করেন ৩৭৩.৩৩ স্ট্রাইক রেটে। যা আইপিএল ইতিহাসে ৫০-এর বেশি রান করা ক্রিকেটারদের মধ্যে সর্বোচ্চ।
এর আগের রেকর্ডটি ছিল রায়নার। ২০১৪ সালে পাঞ্জাব কিংসের হয়ে ৩৪৮.০০ স্ট্রাইক রেটে ৫০ ঊর্ধ্ব রান করেন তিনি। একই বছর সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিপক্ষে ৩২৭.২৭ স্ট্রাইক রেটে ৫০ ঊর্ধ্ব রান করেছিলেন ইউসুফ পাঠান।
কামিন্সের ঝড়ে মুম্বাইয়ের বিপক্ষে ৫ উইকেটে জিতে কলকাতা। প্রথম ব্যাট করে ৪ উইকেটে ১৬১ রান করে রোহিত শর্মারা। জবাবে ৫ উইকেটে ১৬ ওভারে ১৬২ রান করে কেকেআর। এ নিয়ে চলতি আইপিএলে টানা তিন ম্যাচে হারল মুম্বাই।
