ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ই-অরেঞ্জের গ্রাহকদের অর্থ আত্মসাৎ, পাচার ও পাচার হওয়া অর্থ উদ্ধারে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে তা জানতে চেয়েছে উচ্চ আদালত। একই সঙ্গে অর্থ পাচারকারীদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে তাও জানতে চেয়েছে।
চার মাসের মধ্যে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ও বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটকে (বিএফআইইউ) তদন্তসাপেক্ষে হাইকোর্টে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।
এ সংক্রান্ত একটি রিট আবেদনের ওপর শুনানি নিয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দের হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলসহ আদেশ দেয়।
রুলে ই-অরেঞ্জ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে গ্রাহক ঠকানো ও অর্থ পাচারকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে বিবাদীদের (রিট মামলার বিবাদী) নিষ্ক্রিয়তা ও ব্যর্থতা কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত হবে না জানতে চেয়েছে হাইকোর্ট। বাণিজ্য সচিব, দুদকের চেয়ারম্যান, বিএফআইইউর প্রধান, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, পুলিশের মহাপরিদর্শকসহ সংশ্লিষ্ট বিবাদীদের রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
