ফরোয়ার্ডদের ব্যর্থতা খুব করে ভোগাচ্ছিল মোহামেডানকে। তবে প্রিমিয়ার লিগের প্রথমপর্বের শেষ ম্যাচে এসে গোল-উসব করেছে সাদা-কালোরা। গতকাল সিলেট জেলা স্টেডিয়ামে স্বাগতিক রহমতগঞ্জকে ৫-১ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে মোহামেডান। ওদিকে অসাধারণ ফিরে আসার নজির গড়ে জয় পেয়েছে চট্টগ্রাম আবাহনীও। ৮৩ মিনিট পর্যন্ত এগিয়ে থেকে জয়ের সুভাস পাচ্ছিল পুলিশ এফসি। তবে তিন মিনিটে দুই গোল করে জয় নিশ্চিত করেছেন মারুফুল হকের শিষ্যরা। রাজশাহীর মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি স্টেডিয়ামে ম্যাচটি জিতে শিরোপা লড়াইয়ে ভালোভাবেই টিকে রইল তারা। গোপালগঞ্জে দিনের অপর ম্যাচে ছয় গোল ও দুই লাল কার্ডের রোমাঞ্চ ছড়ানো ম্যাচে ৩-৩ গোলে ড্র করেছে স্বাগতিক মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ও সাইফ স্পোর্টিং ক্লাব।
১১ ম্যাচে ৬ জয়ে চট্টগ্রাম আবাহনী ২১ পয়েন্ট নিয়ে প্রথমপর্ব শেষ করেছে চতুর্থ স্থানে। শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাবের সংগ্রহও সমান। তবে গোল গড়ে তারা রয়েছে তৃতীয় স্থানে। জয় হাতছাড়া হলেও প্রথমপর্ব পুলিশ শেষ করেছে ভালো অবস্থানে থেকে। ১৬ পয়েন্ট নিয়ে তারা রয়েছে ছয়ে। মোহামেডান অবশ্য বড় জয়ে ছাড়িয়ে গেছে তাদের। ১৭ পয়েন্ট নিয়ে তারা পাঁচে। রহমতগঞ্জের অবস্থান আটে। মুক্তিযোদ্ধার সঙ্গে ড্রয়ে সাইফ প্রথমপর্ব শেষ করছে সাতে থেকে। মুক্তিযোদ্ধা দশে রয়েছে ৭ পয়েন্ট নিয়ে।
মোহামেডানের বড় জয়ে বড় অবদান সুলেমান দিয়াবাতের। মালির এই ফরোয়ার্ড করেছেন জোড়া গোল। এছাড়া অ্যারন রেয়ারডন, ফরহাদ মোনা ও জাফর ইকবাল করেছেন একটি করে। রহমতগঞ্জের হয়ে একমাত্র গোলটি করেন নাইজেরিয়ান ফিলিপ আজাহ। রাজশাহী ভেন্যুতে পুলিশ ম্যাচের দ্বিতীয় মিনিটে আল আমীনের গোলে এগিয়ে যায়। প্রথমার্ধে অনেক চেষ্টা করেও চট্টগ্রাম আবাহনী পারেনি ম্যাচে ফিরতে। পুলিশও সুযোগ নষ্ট করে পারেনি ব্যবধান বাড়াতে। দ্বিতীয়ার্ধেও গোলের অপেক্ষা বাড়তে থাকে চট্টগ্রাম আবাহনীর। অবশেষে ৮৪ মিনিটে পেনাল্টি পায় তারা। পিটার থ্যাঙ্কগড স্পটকিক থেকে লক্ষ্যভেদ করলে সমতায় ফেরে চট্টগ্রাম আবাহনী। আর ৮৬ মিনিটে নাইজেরিয়ান কেহিন্দা ইসা জয়সূচক গোলটি করেন।
