সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস চক্রের চার সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। চক্রের সদস্যরা অটোমেটিক কল রিসিভ হয় এমন সিম লাগানো কানে পরার ডিভাইস থেকে পরীক্ষার্থীর কাছ থেকে প্রশ্ন জেনে উত্তর বলে দিত। গত কয়েক বছরে চাকরিপ্রার্থীদের কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে চক্রটি। দ্বিতীয় ধাপে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগকে কেন্দ্র করে প্রতারক চক্রগুলো তাদের তৎপরতা আরও বাড়িয়েছিল। গত বুধবার রাতে চক্রটির হোতা একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ইকবাল হোসেনকে তিন সহযোগীসহ আটক করেছে র্যাব।
গতকাল বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে র্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন জানান, আটক বাকি তিনজন হলেন রমিজ মৃধা (৩০), মো. নজরুল ইসলাম (৫০) ও মো. মোদাচ্ছের হোসেন (৬২)। গত বুধবার রাতে ঢাকা ও তার আশপাশের এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়। তারা বিভিন্ন নিয়োগ পরীক্ষায় উত্তীর্ণের নিশ্চয়তা দিয়ে চাকরিপ্রার্থী ও অভিভাবকদের কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে।
এই র্যাব কর্মকর্তা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের তথ্যের বরাতে বলেন, আগ্রহী পরীক্ষার্থীদের ডিজিটাল ডিভাইসগুলো ব্যবহারের প্রশিক্ষণ দিয়ে প্রাথমিকভাবে দুই লাখ টাকা জামানত হিসেবে নেওয়া হতো। অবশিষ্ট টাকা চাকরি পাওয়ার পর পরিশোধের চুক্তি করত। এ ক্ষেত্রে প্রার্থীপ্রতি সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত নিত চক্রটি। এভাবে তারা কয়েক বছর ধরে চাকরিপ্রার্থীদের কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে।
