স্কুলে অনেক ছাত্রীকে পিরিয়ড নিয়ে পড়তে হয় অস্বস্তিতে। কোনো সহপাঠীর সাহায্য নেওয়া কিংবা দোকানে গিয়ে প্যাড কেনা ছাড়া সহজ কোনো সমাধান থাকে না। সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গির কারণে প্যাড কিনতে গিয়েও লজ্জাবোধে ভুগতে হয় কমবয়সী ছাত্রীদের। শুধু স্কুল নয়, কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়-কর্মক্ষেত্রেও এ ধরনের বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়েন অনেকে। স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, কর্মক্ষেত্রে ন্যাপকিনের সহজলভ্যতার অভাবে কিংবা ‘স্যানিটারি ন্যাপকিন ভেন্ডিং মেশিন’ না থাকায় বাড়ে পিরিয়ডজনিত স্বাস্থ্যঝুঁকি।
বাংলাদেশের অন্যতম স্যানিটারি ন্যাপকিন ব্র্যান্ড ফ্রিডম-এর উদ্যোগ ‘ফ্রিডম ভেন্ডিং মেশিন’ গত কয়েক বছর ধরে পিরিয়ড স্বাস্থ্য সচেতনতা বাড়াতে অগ্রগামী ভূমিকা রেখে আসছে। ফ্রিডমের উদ্যোগে ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিনামূল্যে স্থাপন করা হয় দেশের সর্বপ্রথম স্যানিটারি ন্যাপকিন ভেন্ডিং মেশিন। প্রাথমিকভাবে ১০টি ভেন্ডিং মেশিন স্থাপন করার মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন ১৫ হাজার নারী শিক্ষার্থীর জন্য সাশ্রয়ী স্যানিটারি ন্যাপকিন সহজলভ্যতা নিশ্চিত করেছে ফ্রিডম।
বর্তমানে রাজধানীর ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, বিএএফ শাহীন কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় এবং এরকম আরও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে ভেন্ডিং মেশিন স্থাপন করেছে প্রতিষ্ঠানটি।
বর্তমানে স্কুল, কলেজ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে, ফ্রিডম ভেন্ডিং মেশিন এখন স্বস্তির নাম। মাত্র ১০ টাকায় এখন যেকোনো সময়ে ভেন্ডিং মেশিন থেকে ন্যাপকিন কেনা যায়। মেশিনে একটি ১০ টাকার নোট ঢোকালেই সহজেই বেরিয়ে আসে এক পিস ন্যাপকিন।
এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ফ্রিডম আগামীতে আরও ভেন্ডিং মেশিন স্থাপনের মাধ্যমে ‘ফ্রিডম হাইজিন নেটওয়ার্ক’ তৈরি করে নারীদের মেন্সট্রুয়েশন হাইজিন নিশ্চিত করতে এগিয়ে যাচ্ছে।
