আওয়ামী লীগের অধীনে এ দেশে আর কোনো নির্বাচন হবে না, হতে দেওয়াও হবে না বলে হুমকি দিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘ভোট ডাকাতি ও মাফিয়া সরকারকে হটিয়ে নিরপেক্ষ সরকার কায়েম করা হবে। আর নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীন গঠিত নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশনের অধীন নির্বাচন হবে।’
গতকাল শনিবার ঝিনাইদহ জেলা বিএনপির সম্মেলন ও কাউন্সিল উপলক্ষে সদর উপজেলার ডাকবাংলা আব্দুর রউফ কলেজ মাঠে আয়োজিত সমাবেশে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এসব কথা বলেন। সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি যোগ দেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
তারেক রহমান বলেন, ‘বর্তমান সরকার দেশে কোনো উন্নয়ন করেনি। যা কিছু উন্নয়ন হয়েছে সেটা বিএনপি সরকারের আমলে হয়েছে। এ সরকারের সময়কালে আমাদের ৬শ নেতাকর্মীকে গুম, খুন ও হত্যা করেছে। এছাড়া বিএনপির হাজার হাজার নেতাকর্মীর নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করে আসছে। দেশের মানুষকে বাঁচতে হলে ভোটের কোনো বিকল্প নেই। এখন আমাদের সময় এসেছে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আন্দোলোনের মাধ্যমে শেখ হাসিনার সরকারকে হটাতে হবে।’
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘স্বাধীনতার স্বপ্নগুলোতে এই সরকার ভূলুণ্ঠিত করে দিয়েছে। ‘দেশের মানুষ সর্বোচ্চ মূল্য দিয়ে এখন চাল কিনে খাচ্ছেন। কোনো কৃষক সারও বিনা পয়সায় পায়নি।’
ঝিনাইদহ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক এস এস মশিয়ুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মসিউর রহমান, মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক আসাদুজ্জামান, ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক জয়ন্ত কুমার কুন্ডু, সহ-তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক আমিরুজ্জামান খান শিমুল, ঝিনাইদহ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল মালেক, জেলা যুগ্ম আহ্বায়ক আক্তারুজ্জামান, নির্বাহী সদস্য আব্দুল ওহাব, নির্বাহী সদস্য মীর রবিউল ইসলাম লাবলু, সদর উপজেলা সভাপতি অ্যাড. মুন্সি কামাল আজাদ পান্নু, মহেশপুর পৌর সভাপতি আমিরুল ইসলাম চুন্নু, মহেশপুর উপজেলা সভাপতি মেহেদী হাসান রনি, শৈলকূপা পৌর সভাপতি আবু তালেব, উপজেলা সভাপতি আবুল হোসেন, কোটচাঁদপুর পৌর সভাপতি সালাউদ্দিন বুলবুল সিডল, উপজেলা সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক, হরিণাকুন্ডু পৌর সভাপতি জিন্নাতুল হক খাঁন ও উপজেলা সভাপতি আবুল হোসেন মাস্টার প্রমুখ।
