প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও প্রতিবেদকের বক্তব্য

আপডেট : ০৪ জুন ২০২২, ০২:১৮ এএম

গত ১ জুন দেশ রূপান্তর’র প্রথম পাতায় প্রকাশিত ‘মিসেস রাষ্ট্রদূতই সর্বেসর্বা’ শিরোনামের প্রতিবেদনের প্রতিবাদ জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশ দূতাবাস। প্রতিবাদলিপিতে বলা হয়েছে, ‘প্রতিবেদনে যেসব অভিযোগ আনা হয়েছে তা তথ্যভিত্তিক নয় ও অসত্য। দূতাবাস এই অসত্য ও ভিত্তিহীন প্রতিবেদনের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছে।’

প্রতিবাদলিপিতে বলা হয়েছে, দূতাবাসে রাষ্ট্রদূতের পাশের কক্ষে তার স্ত্রীর জন্য আলাদা অফিসকক্ষ রয়েছে বলে যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। জাতীয় অনুষ্ঠান ছাড়া রাষ্ট্রদূতের স্ত্রী কখনো দূতাবাসে যান না। ফলে তার কক্ষে দূতাবাসের কর্মকর্তাদের হাজিরা দেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না।

প্রতিবাদলিপিতে বলা হয়েছে, ‘প্রতিবেদনে রাষ্ট্রদূতের স্ত্রীর দূতাবাসের কর্মকান্ডে হস্তক্ষেপের যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা সর্বৈব মিথ্যা।’ রাষ্ট্রদূতের স্ত্রী নিয়মবহির্ভূতভাবে দূতাবাসের গাড়ি ও লোকবল ব্যবহারসহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা ভোগ করেন বলে যে অভিযোগ আনা হয়েছে তাও ঠিক নয় বলে প্রতিবাদলিপিতে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে বলা হয়, রাষ্ট্রদূত অথবা তার পরিবার ডেপুটি চিফ অব মিশনের গাড়ি ব্যবহার করেন না। রাষ্ট্রদূতের স্ত্রী যে গাড়িটি (যার নাম্বার ডিডিপি ১২৭৮) ব্যবহারের কথা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে তা প্রকৃতপক্ষে ডেপুটি চিফ অব মিশন ব্যবহার করে থাকেন। দূতাবাস কর্মচারী জসিম উদ্দিন মূলত দূতাবাসের স্টাফ কার চালান।

এছাড়া প্রতিবেদনে আবুল হোসেন নামে দূতাবাসের এক কর্মচারীকে রাষ্ট্রদূতের বাসভবনের (বাংলাদেশ হাউজ) মালির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বলে যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা সঠিক নয়। আবুল হোসেন দূতাবাস ও বাংলাদেশ হাউজের বাগান পরিচর্যার জন্য নিয়োগপ্রাপ্ত এবং তিনি একই সঙ্গে দূতাবাস ও বাংলাদেশ হাউজে তার ওপর অর্পিত দায়িত্বই পালন করছেন বলে প্রতিবাদলিপিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রতিবেদকের বক্তব্য : সম্প্রতি সরকারি কর্মসূচিতে যুক্তরাষ্ট্র সফরকারী একাধিক ব্যক্তি ও দূতাবাসের একাধিক কর্মকর্তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে। তাদের তথ্য ছাড়া বাংলাদেশে বসে প্রতিবেদকের পক্ষে গাড়ির নাম্বার, মালি ও গাড়িচালকের নাম জানা সম্ভব ছিল না।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত