চট্টগ্রামের সীতাকুন্ডের বিএম কনটেইনার ডিপোর মালিক মুজিবুর রহমান বিপুল পরিমাণ দাহ্য রাসায়নিক হাইড্রোজেন পারক্সাইড মজুতে বিস্ফোরক পরিদপ্তর ও ফায়ার সার্ভিসের প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছিল বলে দাবি করেছেন।
মজিবুর রহমান স্মার্ট গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং চট্টগ্রাম জেলা দক্ষিণ আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ।
তিনি বলেন, 'অতিরিক্ত গরমের কারণে এই বিস্ফোরণ ঘটেছে।'
তবে সরকারের বিস্ফোরক পরিদপ্তর জানিয়েছে এ ধরনের কোনো অনুমোদন ডিপোর মালিক নেননি।
চট্টগ্রাম বিস্ফোরক পরিদপ্তরের পরিদর্শক তোফাজ্জল হোসেন বলেন, 'এ ধরনের জায়গায় এত বেশি দাহ্য বা বিপজ্জনক পণ্য মজুত করার কোনো সুযোগ নেই। এই ধরনের পণ্য সংরক্ষণ করার জন্য, বিশেষ অবকাঠামোর দরকার হয়।'
তিনি বলেন, 'আমাদের জানানো হয়নি যে সেখানে রাসায়নিক সংরক্ষণ করা হয়। তারা আমাদের কাছ থেকে কোনো লাইসেন্স বা অনুমোদন নেয়নি। লোকালয় বেষ্টিত এ জাতীয় জায়গায় বিপজ্জনক পণ্য মজুত করার কোনো আইনি সুযোগ নেই।'
হাইড্রোজেন পারক্সাইড একটি রাসায়নিক যৌগ। এটি যদি উত্তপ্ত করা হয়, তাহলে তাপীয় বিয়োজনে বিস্ফোরক হিসেবে আচরণ করে। হাইড্রোজেন পারক্সাইডসহ বিপজ্জনক পণ্যগুলো কীভাবে নিরাপদে সংরক্ষণ এবং পরিবহন করা যায় সে সম্পর্কে নির্দিষ্ট দিকনির্নদেশনা আছে।
শনিবার রাতে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের বিএম কনটেইনার বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। বিস্ফোরণের পর ডিপোতে আগুন ধরে যায়। এই আগুন রোববার বিকেলেও জ্বলছে। এ ঘটনায় শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ৪৯ জনের মরদেহ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। আহত হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন দেড় শতাধিক।
