পুঁজিবাজার থেকে বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে অর্থ সংগ্রহের অনুমোদন পেয়েছে ওষুধ খাতের কোম্পানি নাভানা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড। কোম্পানিটি পুঁজিবাজার থেকে ৭৫ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে শেয়ারের প্রান্তঃসীমা মূল্য (কাট-অফ প্রাইস) নির্ধারণে নিলামের অনুমোদন দিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। গতকাল কমিশনের নিয়মিত সভায় এ অনুমোদন দেওয়া হয়।
নিয়মিত সভা শেষে এসইসির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে পুঁজিবাজার থেকে ৭৫ কোটি টাকা সংগ্রহ করে নাভানা ফার্মাসিউটিক্যালস ভবন নির্মাণ, নতুন ইউটিলিটি ও ইঞ্জিনিয়ারিং ভবন নির্মাণ, সেফালোস্পোরিয়ান ইউনিটের সংস্কার, আংশিক ঋণ পরিশোধ ও আইপিওজনিত ব্যয় করবে।
নাভানা ফার্মাসিউটিক্যালসের চলতি ২০২১-২২ হিসাববছরের ৯ মাসে (জুলাই-মার্চ) শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২ টাকা ৩৯ পয়সা। আর বিগত পাঁচটি আর্থিক বিবরণী অনুযায়ী ভারিত গড় হারে ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ৫১ পয়সা। ২০২২ সালের মার্চ পর্যন্ত কোম্পানিটির পুনর্মূল্যায়নসহ শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) ৪৩ টাকা ৫৩ পয়সা ও পুনর্মূল্যায়ন ছাড়া এনএভিপিএস হচ্ছে ১৯ টাকা ২ পয়সা। আইপিওর শর্ত অনুসারে নাভানা ফার্মাসিউটিক্যালস কাট-অফ প্রাইস থেকে ৩০ শতাংশ হ্রাসকৃত মূল্যে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে শেয়ার ইস্যু করবে। এছাড়া ফেয়ার ভ্যালু থেকে ২০ শতাংশ প্রিমিয়ামে কোম্পানির কর্মকর্তাদের কাছ থেকে ১৫ শতাংশ শেয়ার ইস্যু করতে পারবে, যা দুই বছর লক-ইন থাকবে। নাভানা ফার্মার ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে এশিয়ান টাইগার ক্যাপিটাল পার্টনারস ইনভেস্টমেন্টস ও ইবিএল ইনভেস্টমেন্টস লিমিটেড। উল্লেখ্য, পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির আগে কোম্পানিটি কোনো প্রকার লভ্যাংশ ঘোষণা, অনুমোদন বা বিতরণ করতে পারবে না।
২০২১-২২ হিসাব বছরের ৯ মাসে (জুলাই-মার্চ) কোম্পানির টার্নওভার হয়েছে ৩৬৬ কোটি টাকা, যা আগের বছরের পুরো সময়ের চেয়ে প্রায় ৬ কোটি টাকা বেশি। এ সময় মোট মুনাফা হয়েছে ১৬২ কোটি টাকা। পরিচালন মুনাফা দাঁড়িয়েছে ৩৪ কোটি ৭৭ লাখ টাকা, যা আগের হিসাব বছরের পুরো সময়ে ছিল ৩৬ কোটি ৩৭ লাখ টাকা। কর পরিশোধের ২০২১-২২ হিসাব বছরের ৯ মাসে নিট মুনাফা হয়েছে ১৯ কোটি ১৮ লাখ টাকা।
