বড় ও ঘাটতি বাজেট পূরণ করতে সাধারণ মানুষের কাঁধে করের বোঝা চাপানো হবে বলে মন্তব্য করেছে বাম গণতান্ত্রিক জোট। জোটের শীর্ষ নেতারা বলেন, এমনিতে নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধিতে চিড়ে-চ্যাপটা সাধারণ জনগণ আরও বিপদে পড়বে। বৈষম্য আরও বাড়বে। অর্থ পাচারকারীকে শাস্তি না দিয়ে, ওই টাকা উদ্ধার না করে, এই বাজেটে পাচার করা অর্থ নামেমাত্র কর দিয়ে ফিরিয়ে আনার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে; যা অনৈতিক ও টাকা পাচারে উৎসাহিত করবে। গতকাল শুক্রবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আয়োজিত সমাবেশে তারা এসব কথা বলেন।
নেতারা বলেন, মুক্তবাজারের নামে লুটপাটের অর্থনীতি বজায় রেখে জনবান্ধব বাজেট প্রণয়ন করা যাবে না। এর বিরুদ্ধে বাম গণতান্ত্রিক বিকল্প শক্তি সমাবেশ গড়ে তুলে লুটপাটকারীদের হাত থেকে দেশ বাঁচাতে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান। সমাবেশে নেতারা সংখ্যানুপাতিক পদ্ধতি প্রবর্তনসহ নির্বাচনব্যবস্থার আমূল সংস্কার, সংসদ ভেঙে দেওয়া ও ‘নির্দলীয় তদারকি সরকারের’ অধীনে সংসদ নির্বাচন দাবি করেন।
সমাবেশে বক্তব্য দেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সভাপতি মোহাম্মদ শাহ্ আলম, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) সাধারণ সম্পাদক বজলুর রশীদ ফিরোজ, গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টির সাধারণ সম্পাদক মোশরেফা মিশু, বাসদ (মার্কসবাদী) সমন্বয়ক মাসুদ রানা, সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের নির্বাহী সভাপতি আব্দুল আলী, ওয়ার্কাস পার্টির মার্কসবাদী নেতা বিধান দাস।
