অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন সবার অধিকার : যুক্তরাষ্ট্র

আপডেট : ১২ জুন ২০২২, ০৩:০৪ এএম

অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন, মতপ্রকাশ ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং আইনের শাসন সুস্থ গণতন্ত্রের ভিত্তি; যা সবার অধিকার। গতকাল শনিবার ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়। তবে এ বার্তায় বাংলাদেশের নির্বাচন বা এ সম্পর্কে কোনো মন্তব্য করা হয়নি। 

দূতাবাসের বার্তায় বলা হয়, সাধারণ মানুষ ও বেসরকারি সংস্থাগুলো সবসময়ই এবং সব ক্ষেত্রে প্রাণবন্ত গণতন্ত্রের মূলনীতিকে রক্ষা করে। মানবাধিকার, সুষ্ঠু নির্বাচন, মতপ্রকাশের স্বাধীনতাসহ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে জাতিসংঘের ঘোষণার পেছনের প্রেরণা হিসেবে বলা হয়,  নাগরিকদের সমালোচনামূলক ভূমিকা ও বহুত্ববাদী সুশীল সমাজের সম্পর্কগুলোই  মানবাধিকার রক্ষা করে।

বিবৃতিতে বলা হয়, ১৯৯৮ সালে সাধারণ পরিষদে সবার ঐকমত্য দ্বারা গৃহীত ঘোষণায় বলা হয়েছে, ব্যক্তিগতভাবে ও অন্যদের সঙ্গে সম্মিলিতভাবে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরে মানবাধিকার, মৌলিক স্বাধীনতার সুরক্ষা ও সুরক্ষা প্রচারের প্রত্যেকেরই অধিকার আছে। প্রতিশোধের ভয় ছাড়াই মানবাধিকার প্রচারের জন্য প্রতিটি দেশে জনগণকে স্বাধীন হতে হবে। যেমন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেছেন, কোনো গণতন্ত্র নিখুঁত নয় এবং কোনো গণতন্ত্র কখনো চূড়ান্ত নয়। প্রতিটি বাধা ভাঙা, দৃঢ়প্রতিজ্ঞ, অবিরাম পরিশ্রমের ফলেই অর্জন আসে।

সম্প্রতি ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত পিটার হাস কয়েকটি অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সরাসরিই বলেছেন, বাংলাদেশের নির্বাচনে কে জয়লাভ করবে, তা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের মাথাব্যথা নেই। বাংলাদেশের মানুষ যাতে তাদের নেতা বেছে নিতে পারে, যুক্তরাষ্ট্র এমন একটি নির্বাচন চায়। গত বুধবার আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়ালের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

পিটার হাস বলেন, ‘আমি আগে যা বলেছি আবারও সেটাই বলব যে, নির্বাচনে কে জিতল সেটা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ভাবে না। আমরা কেবল এমন একটি নির্বাচন চাই, যেখানে বাংলাদেশের জনগণ তাদের নেতা বেছে নিতে পারে।’

এর আগে কয়েকটি অনুষ্ঠানে পিটার হাস নির্বাচন নিয়ে তাদের (যুক্তরাষ্ট্রের) কোনো মাথাব্যথা নেই বলে মন্তব্য করেন। বাংলাদেশে নিযুক্ত হওয়ার তিন মাসের মধ্যে পিটার হাস বিভিন্ন ব্যক্তির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করছেন।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত