গুঞ্জন চলছে জিনেদিন জিদানকে নতুন কোচ হিসেবে চায় পিএসজি। এমন অবস্থায় ফ্রান্সের এক গণমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে অন্যান্য বিষয়ের সঙ্গে ফ্রান্সের কিংবদন্তি বলেছেন, কোচিং চালিয়ে যেতে চান তিনি।
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কী এবং ফুটবলে এখনো কিছু এনে দিতে পারবেন কি না?
জিদান : ‘আমার এখনো অনেক কিছু দেওয়ার আছে, অন্তত কিছুটা তো দেওয়ার আছেই। আমি এ পথে আরও এগোতে চাই। চালিয়ে যেতে চাই। নিজের মধ্যে সেই তাগিদটা এখনো পাই। ফুটবলই আমার প্যাশন।’
১৯৯৮-এর বিশ্বকাপ জয়ের অনুভূতি কেমন?
জিদান : দুর্দান্ত মুহূর্ত, অনেক আবেগ। একজন ফুটবলার, একজন শীর্ষ ক্রীড়াবিদ হিসেবে আপনি চাইবেন এই মুহূর্তগুলো নিয়ে বেঁচে থাকতে। পরিবার, বন্ধু, দেশকে নিয়ে বেঁচে থাকতে। এটা ছিল অসাধারণ মুহূর্ত। মনে হচ্ছে যেন গতকালই ঘটল ব্যাটারটা...।
২০০২ চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনালে গোল প্রসঙ্গে
(বাঁ-দিক দিয়ে রবার্তো কার্লোসের চিপ থেকে বক্সের ঠিক ভেতর বল পেয়ে বাঁ পায়ের ভলিতে গোল করেছিলেন, যে গোলে ২-১ এ জেতে রিয়াল মাদ্রিদ)
জিদান : বলতে পারব না আমার সেরা গোল কি না, তবে খুব গুরুত্বপূর্ণ ছিল ওটা। এর আগ পর্যন্ত সবই জিতেছি আমি (বিশ্বকাপ, ইউরো), চ্যাম্পিয়নস লিগটাই বাদ ছিল। কাজেই অমন ফাইনালে গোল করা দারুণ ব্যাপার। তবে এভাবে গোল করা, অবশ্যই ম্যাজিক্যাল।
২০০৬ বিশ্বকাপে ব্রাজিলের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনাল প্রসঙ্গে
(৫৯ মিনিটে জিদানের অসাধারণ ফ্রি-কিকে পোস্টের কাছ থেকে টোকায় জয়সূচক গোল করেন অরি)
জিদান : সেই রাতে, সেখানে সবকিছু ছিল... টেকনিক্যালি আমরা ছিলাম... কিন্তু আমি একা ছিলাম না। আমরা সবাই খুব, খুব ভালো ছিলাম।
২০০৬ বিশ্বকাপ ফাইনালে পেনাল্টিতে পানেনকা শটে তার গোল
জিদান : কৌশলী নিশ্চিতভাবেই, তবে পাগলামি না। এক মুহূর্ত ভাবলাম কীভাবে শট নেওয়া যায়। যদি নিই (পানেনকা), মিস হতে পারে, নাও হতে পারে। কারণ পেনাল্টি আমার মিস হতো। ভাবলাম, খেলার ৭/৮ মিনিট মাত্র, অনেক সময় বাকি। গোলকিপার (বুফন) আমাকে চেনে। নতুন কিছু করার কথা ভেবেছিলাম।
২০০৬ সালের ফাইনালে সেই লাল কার্ড প্রসঙ্গ
জিদান : সে রাতে লিজারাজু যদি আমার পাশে থাকত তাহলে আমাকে আটকে রাখতে পারত। আবার বলছি, আমি যা করেছি তার জন্য আমি গর্বিত নই, তবে এটি আমার জীবনেরই অংশ। আমি বলব একজন ব্যক্তির জীবনে সবকিছুই নিখুঁত হয় না। এটি সত্যি যে ক্যারিয়ারের কিছু সময় গেছে, যা জটিল ছিল, তবে এটাই জীবন।
ম্যানেজার হিসেবে রিয়াল মাদ্রিদে তার সাফল্যের কথা
জিদান : আমি অনেক পরিশ্রম করেছি। আমার অসাধারণ কিছু খেলোয়াড় ছিল, যারা আমাকে অনুসরণ করেছে। রিয়াদ মাদ্রিদের ১১টা শিরোপা সবার মিলিত চেষ্টার ফল। আশপাশের মানুষের কাছে সহানুভূতি অনুভব করতে চায়। যাই হোক, আমার ক্ষেত্রে সেটা হয়নি হয়তো।
