১৭ জুন শুক্রবার দেশের ৫৩টি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায় শবনম বুবলী ও নবাগত আদর আজাদ অভিনীত চলচ্চিত্র ‘তালাশ’। সৈকত নাসির পরিচালিত রোমান্টিক-থ্রিলার গল্পের সিনেমাটি ইতিমধ্যেই প্রশংসিত হয়েছে। তার ধারাবাহিকতায় দ্বিতীয় সপ্তাহেও চলছে সিনেমাটি।
প্রযোজনা সংস্থা থেকে জানানো হয়, দ্বিতীয় সপ্তাহেও ১৮টির বেশি সিনেমা হলে চলছে ‘তালাশ’। হলগুলো হলো, স্টার সিনেপ্লেক্স-এর সবগুলো শাখা, যমুনা ব্লকবাস্টার সিনেমাস, লায়ন সিনেমাস-কেরানিগঞ্জ, চন্দ্রিমা-সাভার, শাপলা-রংপুর, শঙ্খ-খুলনা, চিত্রালি-খুলনা, মধুবন সিনেপ্লেক্স-বগুড়া, সোনালি-ঈশ্বরগঞ্জ, রাজ-কুলিয়ার চর, অভিরুচি-বরিশাল, সেনা অডিটোরিয়াম-সাভার, পান্না-মুক্তারপুর, মনিহার-যশোর, মাধবী-মধুপুর, ঝংকার-বকশী গঞ্জ, সুগন্ধা-চট্টগ্রাম, রাজিয়া-নাগরপুর।
ছবিটির পরিবেশক জাহিদ হাসান অভি দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘ছবি মুক্তির পর থেকেই বৃষ্টি ও বন্যা শুরু হয়ে যায়। তারপরও দর্শকেরা সিনেমা হলে গিয়ে ছবিটি দেখছেন। বেশ ভালো সাড়া পেয়েছি। এটা আমাদের জন্য আনন্দের সংবাদ।’
পরিচালক সৈকত নাসির বলেন, ওয়ার্ল্ড রেকর্ড আছে যে, ছোট বাজেটের সিনেমা গল্প, মেকিং ও অভিনয়শিল্পীদের অভিনয়ের কারণে হুট করে বড় বাজেটকে পেছনে ফেলে দেয়ার। আমার এ সিনেমার গল্পই মাস্টার পিস। বাজেট এখানে সাবজেক্ট না। আদর-বুবলী’সহ সবাই ভালো অভিনয় করেছে। সিনেমাটির গান ও ট্রেলার দর্শক খুবই পছন্দ করেছে। বেশ ভালো সাড়া পাচ্ছি।’
আদর-বুবলী বলেন, করোনায় অন্য সেক্টরের মতো আমাদের চলচ্চিত্রেও অনেক ক্ষতি হয়েছে। প্রেক্ষাগৃহ খোলার পর সেই ক্ষতি কাটিয়ে উঠার চেষ্টা করছেন প্রেক্ষাগৃহ মালিকরা। প্রেক্ষাগৃহ খোলার পর সেভাবে মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমাগুলো দর্শক টানতে না পারলেও ঈদুল ফিতরের সিনেমা দিয়ে দর্শক আবারও প্রেক্ষাগৃহে ফিরেছেন। সেই ধারাবাহিকতায় আমরা বেশ ভালো সাড়া পাচ্ছি। এটি আমাদের সিনেমার জন্য আশীর্বাদ। এ ধারা অব্যাহত থাকলে বেশি দিন লাগবে না আমাদের সিনেমার ক্রান্তিকাল দূর হতে। আমরা নিজেদের সেরাটা দিয়ে কাজ করেছি। আশা করি, দর্শক নিরাশ হবে না।’
ক্লিওপেট্রা ফিল্মসের ব্যানারে নির্মিত সিনেমাটির কাহিনি পরিচালকের সঙ্গে যৌথভাবে লিখেছেন আসাদ জামান। এ সিনেমাটিতে পাঁচটি গান রয়েছে। সিনেমাটিতে আরও অভিনয় করেছেন আসিফ আহসান খান, মাসুম বাশার, মিলি বাশার, যোজন মাহমুদ প্রমুখ।
