দেশের কোটি কোটি মানুষের বহু কাক্সিক্ষত পদ্মা সেতুর উদ্বোধন এবং সেতুটি দিয়ে যান চলাচল শুরু হওয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়ে গাজীপুরের কালীগঞ্জে আনন্দ র্যালি হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার সকালে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির মহিলাবিষয়ক সম্পাদক সংসদ সদস্য মেহের আফরোজ চুমকির নেতৃত্বে র্যালিটি বের হয়। কালীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে পূর্বাঞ্চল এলাকার শহীদ ময়েজউদ্দিন চত্বর থেকে বর্ণাঢ্য আনন্দ র্যালিটি শুরু হয়। নাগরী ও তুমলিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ এবং এর সহযোগী সংগঠনগুলোর নেতাদের সঙ্গে নিয়ে উপজেলার দলীয় কার্যালয়ের সামনে আনন্দ র্যালিটি যাত্রাবিরতি করে। পরে দলীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে শহীদ ময়েজউদ্দিন সড়ক হয়ে উপজেলার বাহাদুরসাদী, জামালপুর, মোক্তারপুর, জাঙ্গালিয়া ও বক্তারপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে ফের দলীয় কার্যালয়ের সামনে এসে আনন্দ র্যালিটি শেষ হয়।
এ সময় সংসদ সদস্য মেহের আফরোজ চুমকি বলেন, ‘স্বপ্নের পদ্মা সেতু নির্মাণ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে থাকবেন। প্রধানমন্ত্রীর সুদৃঢ় নেতৃত্ব ও সাহসী পদক্ষেপের ফলে আমাদের নিজস্ব অর্থে পদ্মা সেতু নির্মাণ করতে পেরেছি। সারা বিশ^ আজ প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানাচ্ছে। এ সেতু চালু হওয়ার মধ্য দিয়ে দেশের অর্থনীতির চাকাও ধীর ধীরে আরও সচল হতে থাকবে। দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের জীবনমানের অনেক উন্নয়ন ঘটবে।
কালীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মোয়াজ্জেম হোসেন পলাশ, ভাইস চেয়ারম্যান মাকসুদ-উল-আলম খান, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শর্মিলা রোজারিও, কালীগঞ্জ পৌর মেয়র এস এম রবীন হোসেন, কালীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এইচ এম আবুবকর চৌধুরী, সাংস্কৃতিক সম্পাদক শফিউল কাদের নান্নু, সদস্য মাজেদুল ইসলাম সেলিম, পৌর আওয়ামী লীগের সাধরণ সম্পাদক মো. কামরুল ইসলাম, নাগরী ইউপি চেয়ারম্যান মো. অলিউল ইসলাম অলি, গাজীপুর জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহসভাপতি মো. ছাইউম মিয়া সায়েম ও কালীগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম সম্পাদক রুবেল পালোয়ানসহ উপজেলার পৌর, বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ এবং এর সহযোগী সংগঠনের নেতারা আনন্দ র্যালিতে অংশ নেন। এ ছাড়া তাদের সঙ্গে ছিলেন উপজেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
