স্বাস্থ্যমন্ত্রী বললেন

৫-১২ বছরের শিশুদের টিকা শিগগিরই

আপডেট : ২৯ জুন ২০২২, ০১:০৫ এএম

৫ থেকে ১২ বছর বয়সী শিশুদের শিগগিরই করোনার টিকা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। তিনি বলেছেন, ‘আমরা শিশুদের টিকা প্রয়োগে অনুমোদন পেয়েছি। এমনকি সে অনুযায়ী আমরা প্রস্তুতি নিচ্ছি। অতি দ্রুত আমরা এ কার্যক্রম শুরু করব।’

গতকাল মঙ্গলবার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ^বিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) ইনস্টিটিউট অব পেডিয়াট্রিক নিউরোডিজ অর্ডার অ্যান্ড অটিজম (ইপনা) আয়োজিত এক অনুষ্ঠান শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘শিশুদের টিকা বড়দের টিকার চেয়ে একটু আলাদা। আমাদের কাছে এত দিন শিশুদের জন্য আলাদা এই টিকা ছিল না। এখন আমাদের হাতে শিশুদের জন্য উপযোগী টিকা চলে এসেছে। যে শিশুরা এখনো নিবন্ধন করেনি, তারা যেন নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে দ্রুত নিবন্ধন করে নেয়।’

অভিভাবকদের উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, সরকারি পরিসংখ্যান বলছে, দেশে ৫-১২ বছর বয়সী শিশুর সংখ্যা ২ কোটি ২০ লাখ। সে হিসাবে শিশুর সংখ্যা কিন্তু অনেক। তাদের টিকা দিতে আমাদের সময় লাগবে। জন্মসনদ দিয়ে সুরক্ষা অ্যাপে টিকার জন্য নিবন্ধন করতে হবে। যারা এখনো নিবন্ধন করেনি, তাদের অভিভাবকদের অনুরোধ করব দ্রুত শিশুদের টিকার নিবন্ধন করিয়ে নিন।

জাহিদ মালেক বলেন, ‘দেশের স্বাস্থ্য খাতে অভূতপূর্ব উন্নয়ন হয়েছে। স্বাস্থ্য খাতে দেশ অনেক দূর এগিয়ে গেছে। স্বাস্থ্যের উন্নয়ন কেউ অস্বীকার করতে পারবে না। শিক্ষা ও অবকাঠামোগত উন্নয়নও হচ্ছে। টিকায় আমরা উন্নয়ন করেছি। প্রধানমন্ত্রী ভ্যাকসিন হিরো হয়েছেন। আমরা শিশুমৃত্যুর হার কমিয়েছি।’

তিনি বলেন, ‘কালাজ্বর, কলেরা, ডায়রিয়া, সবকিছুই নিয়ন্ত্রণে এসেছে। একসময় গ্রামের পর গ্রাম মানুষ মারা যেত। আমরা অনেক কাজ করেছি। বর্তমানে মানুষের গড় আয়ু ৭৩ বছর হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী গবেষণায় গুরুত্বারোপ করেছেন। গবেষণার মাধ্যমেই দেশ এগিয়ে যাবে। দেশে আগে বাইপাস সার্জারি হতো না, এখন অহরহ হচ্ছে। ট্রান্সপ্লান্ট হতো না, এখন হচ্ছে। আগে আমরা ওষুধ আমদানি করতাম, এখন রপ্তানি করি। টিকা তৈরির পরিকল্পনা আমরা হাতে নিয়েছি। এই কার্যক্রম পরিচালনা করতে গোপালগঞ্জে জায়গা নিয়েছি। সেখানেই সব টিকা উৎপাদন করব।’

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ^বিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ। এ সময় বক্তব্য দেন বিশ^বিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মো. জাহিদ হোসেন, উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ডা. এ কে এম মোশাররফ হোসেন, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. ছয়েফ উদ্দিন আহমদ, শিশু নিউরোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. গোপেন কুমার কুন্ডু প্রমুখ।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত