স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী ও সুদক্ষ নেতৃত্বে বাংলাদেশে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বিরাজ করছে। গতকাল তার সঙ্গে সংসদ ভবনে বাংলাদেশে নিযুক্ত জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়ক জিন লুইস সৌজন্য সাক্ষাৎ করলে তিনি এ কথা বলেন।
সাক্ষাৎকালে তারা দক্ষতার সঙ্গে বাংলাদেশ সরকারের কভিড মোকাবিলা, কভিড-পরবর্তী বাংলাদেশের স্থিতিশীল অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, নারীর ক্ষমতায়ন ও আর্থসামাজিক উন্নয়ন, জেন্ডার বাজেট ইত্যাদি বিষয়ে আলোচনা করেন।
স্পিকার বলেন, বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ ইউএনডিপি, ইউএনএফপিএর সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে তৃণমূল পর্যন্ত নারী ও শিশুদের সার্বিক উন্নয়নে কাজ করছে। সংসদ সদস্যরা নিজ নিজ এলাকায় এ ক্ষেত্রে বিভিন্নভাবে ভূমিকা রেখে চলেছেন। প্রত্যন্ত অঞ্চলে সভা আয়োজনের মাধ্যমে নারী ও শিশুবান্ধব অনেক পরামর্শ পাওয়া গেছে, যা আইন-নীতি প্রণয়নে ভূমিকা রাখছে। সরকার ২০০৯-১০ অর্থবছরে প্রথমবারের মতো জেন্ডার বাজেট চালু করে, যা ২০২২-২৩ অর্থবছরেও অব্যাহত রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী পদক্ষেপের কারণে কভিডকালীন বাংলাদেশের মানুষের জীবন-জীবিকা সুরক্ষিত হয়েছে। নারীর ক্ষমতায়ন, নারীর অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রীর গৃহীত পদক্ষেপগুলো বিশ্ব দরবারে রোল মডেল।
ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, ঝরে পড়া শিশুদের সংখ্যা হ্রাস, মাতৃমৃত্যু হ্রাস, মোবাইলের মাধ্যমে সরাসরি বৃত্তির অর্থ দেওয়ার মাধ্যমে মেয়েদের শিক্ষায় উদ্বুদ্ধকরণ, প্রত্যন্ত অঞ্চলেও নারীদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষতা বৃদ্ধি, নারী সহিংসতায় জিরো টলারেন্স, ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদে নারীদের জনপ্রতিনিধি হিসেবে ক্ষমতায়ন ইত্যাদি বহুমুখী পদক্ষেপের কারণে আজ এ দেশে নারীর অগ্রযাত্রা দৃশ্যমান।
বাংলাদেশের অভূতপূর্ব উন্নয়নের প্রশংসা করে জিন লুইস বলেন, বাংলাদেশের সাম্প্রতিক বন্যা পরিস্থিতিতে বর্তমান সরকার যথাযথ ভূমিকা পালন করেছে, যা অতুলনীয়। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় দুর্গম এলাকাগুলোতেও ত্রাণ পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হয়েছে।
এ সময় ইউএনএফপিএ বাংলাদেশের কান্ট্রি রিপ্রেজেনটেটিভ ক্রিস্টিন ব্রোখুস ও সংসদ সচিবালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
