পদ্মায় বুয়েট ছাত্রের লাশ, ১৫ বন্ধু গ্রেপ্তার

আপডেট : ১৬ জুলাই ২০২২, ০২:৩১ এএম

ঢাকার দোহারের পর্যটন স্পট মৈনট ঘাট এলাকায় পদ্মা নদীতে ডুবে নিখোঁজের ১৬ ঘণ্টা পর বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। তার নাম তারিকুজ্জামান সানি (২৫)। গতকাল শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে ঘটনাস্থলের পাশ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করেন ফায়ার

সার্ভিসের ডুবুরিরা। সানি বুয়েটের স্থাপত্য বিভাগের শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। ১৬ বন্ধু মিলে গত বৃহস্পতিবার বিকেলে পদ্মাপাড় মৈনট ঘাট ঘুরতে এসেছিলেন তারা। সানি শরীয়তপুরের জাজিরা থানার ডাঙ্গুর বেপারিকান্দি গ্রামের হারুন-উর-রশীদের ছেলে। তিনি ঢাকার হাজারীবাগে থাকতেন।

বন্ধুদের দাবি, গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে ড্রেজার মেশিনের ওপর দাঁড়িয়ে মোবাইল ফোনে সেলফি তুলতে গিয়ে পা পিছলে নদীতে পড়ে যান সানি। তবে তাকে হত্যার অভিযোগে গতকাল রাতে দোহার থানায় মামলা করেছে পরিবার। ওই মামলায় সানির সঙ্গে মৈনটে ঘুরতে আসা ১৫ বন্ধুকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছে পুলিশ।

ফায়ার সার্ভিস এবং দোহার থানা পুলিশের সদস্যরা জানান, সানিসহ তার ১৬ বন্ধু বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মৈনট ঘাটে ঘুরতে আসেন। নদীর পাড়ে রাখা একটি ড্রেজার মেশিনের ওপর দাঁড়িয়ে মোবাইল ফোনে সেলফি তুলতে গিয়ে সানি পা পিছলে পড়ে যান জানিয়ে ৯৯৯-এ কল করেন বন্ধুরা। এরপর দোহার থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে ফায়ার সার্ভিস সদস্যদের খবর দেয়। রাতেই শুরু হয় উদ্ধার অভিযান।

সানির লাশ উদ্ধারের পর ঢাকা থেকে যাওয়া বঙ্গবাজার ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্য আবুল খায়ের দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘বুয়েট ছাত্র নিখোঁজের খবর পেয়ে আমরা বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে ঘটনাস্থল দোহারের মৈনট ঘাটে আসি। তবে নদীতে প্রচণ্ড স্রোত থাকায় উদ্ধার অভিযান ব্যাহত হয়। পরে সকালে ওই ছাত্রের লাশ উদ্ধার করে দোহার থানায় হস্তান্তর করি।’

দোহার থানার ওসি মোস্তফা কামাল জানান, লাশ উদ্ধারের পর সুরতহাল শেষে বুয়েট শিক্ষার্থীর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়। এ ঘটনায় পরিবারের মামলায় ১৫ বন্ধুকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত