কমনওয়েলথ গেমসে পদক প্রসবা শুটিং নেই। সম্ভাবনার তুঙ্গে থাকা আরচারিও নেই। ইসলামিক সলিডারিটি গেমসে শুটিং আছে নামকাওয়াস্তে। রাইফেল, পিস্তল ইভেন্ট বাদ দিয়ে আছে শুধু স্কিড শুটিং। তারপরও জোড়া আন্তর্জাতিক আসরে সাফল্যের আশায় বাংলাদেশ। দুই গেমস নিয়ে ক্রীড়াবিদদের প্রস্তুতি ও প্রত্যাশা নিয়ে গতকাল অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ব্যক্তিগত ইভেন্টগুলোতে ভালো ফলাফলের আশা প্রকাশ করেছেন বিওএ মহাসচিব সৈয়দ শাহেদ রেজা।
১৯৯০ সালে অকল্যান্ড গেমসে দুই পিস্তল শুটার আতিকুর রহমান ও আব্দুর সাত্তার নিনি এনে দেন স্বর্ণপদক। এরপর থেকে প্রায় প্রতিটি গেমসেই পদক জিতেছে বাংলাদেশ। সর্বশেষ গোল্ড কোস্ট গেমসে শুটিং থেকে আসে দু’টি রৌপ্যপদক। শাহেদ রেজাও মনে করেন শুটিং না থাকায় পদক সম্ভাবনা কমেছে বাংলাদেশের, ‘বার্মিংহ্যাম গেমসে শুটিং ও আরচারি না থাকায় বাংলাদেশের পদক জয়ের সম্ভাবনা কিছুটা কমে এসেছে। তবুও আমি আশা করছি, খেলোয়াড়রা তাদের সামর্থ্যরে সবটুকু দিয়েই বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবে এবং দেশের জন্য সুনাম বয়ে আনবে। ওই দুটি ডিসিপ্লিন ছাড়াও ব্যক্তিগত কিছু ইভেন্টে আমাদের ভালো সুযোগ আছে। এখন আর অংশগ্রহণের আনুষ্ঠানিকতা নয়, কিছু পাওয়ার লক্ষ্যেই আমরা দল পাঠাই আন্তর্জাতিক আসরে।’
বার্মিংহাম কমনওয়েলথ গেমসে বাংলাদেশ অংশ নেবে অ্যাথলেটিক্স, বক্সিং, জিমন্যাস্টিকস, সাঁতার, ভারোত্তোলন, কুস্তি ও টেবিল টেনিস এই সাতটি ডিসিপ্লিনে। ক্রীড়াবিদ, প্রশিক্ষক, কর্মকর্তাসহ সর্বমোট ৫০ জনের একটি দল বার্মিংহাম কমনওয়েলথ গেমসে বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্ব করবে। গেমসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জাতীয় পতাকা বহন করবেন শেষ দুটি এসএ গেমসে স্বর্ণপদকজয়ী ভারোত্তোলক মাবিয়া আক্তার সীমান্ত। ইসলামিক সলিডারিটি গেমসে বাংলাদেশের বহর ৮৪ সদস্যের। অ্যাথলেটিকস, আরচ্যারি, ফেন্সিং, জিমনাস্টিকস, হ্যান্ডবল, কারাতে, শুটিং, সাঁতার, টেবিল টেনিস ও ভারোত্তোলনসহ মোট ১১টি ডিসিপ্লিনে থাকবে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব। এই আসরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা বহন করবেন সর্বশেষ এসএ গেমসের ফেন্সিংয়ে সোনাজয়ী ফাতেমা মুজিব। সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন বিওএর সহ-সভাপতি ও মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান শেখ বশির আহমেদ মামুন, লে. জেনারেল মইনুল ইসলাম (অব.), বিওএর কোষাধ্যক্ষ এ কে সরকার ও ইসলামিক সলিডারিটি গেমসে বাংলাদেশ দলের শেফ দ্য মিশন সিরাজউদ্দিন মোহাম্মদ আলমগীর।
