বৃষ্টি হলেই চট্টগ্রাম নগরীতে হাঁটুপানি

আপডেট : ২১ জুলাই ২০২২, ০১:২৫ এএম

১৫৩ মিলিমিটার বৃষ্টিতে বন্দর নগরী চট্টগ্রামে হাঁটুপানি জমেছে। গতকাল বুধবার বৃষ্টিতে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। এতে দুর্ভোগে পড়েন নগরবাসী। পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, মৌসুমি বাযুর প্রভাবে ১৫৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। বৃষ্টি আরও দুয়েকদিন থাকতে পারে।

গতকাল দিনভর বৃষ্টিতে কারণে নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক, অলিগলিতে হাঁটু সমান পানি জমে। নগরীর বহদ্দারহাট, বাদুরতলা, ২ নম্বর গেট, মুরাদপুর, জিইসি, ফরিদার পাড়া, চকবাজার, কাপাসগোলা, ষোলশহর, মোগলটুলি, আগ্রাবাদ, ট্রাঙ্ক রোড, বাকলিয়া ডিসি রোড, তালতলা, চান্দগাঁও, খতিবের হাট, সিঅ্যান্ডবি কলোনি, চাকতাই, খাতুনগঞ্জ, নাসিরাবাদ হাউজিং সোসাইটি, আগ্রাবাদ, ঈদগাঁও, কাতালগঞ্জ, শুলকবহর, হালিশহর এলাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। নিচু এলাকার বাসাবাড়ি ও দোকানে পানি ঢুকে পড়ায় বেকায়দায় পড়েছেন বাসিন্দারা। এছাড়াও আগ্রাবাদ মা ও শিশু হাসপাতালের নিচতলায় প্রায় হাঁটুসমান পানি জমেছে। এতে রোগী ও রোগীর স্বজনরা পড়েছেন বেকায়দায়।

সাইফুদ্দিন আহমেদ নামে বাদুরতলা এলাকার এক বাসিন্দা বলেন, বাদুরতলার মেইন সড়কে হাঁটুর ওপরে পানি উঠে গেছে। অলিগলিতে কোমর সমান পানি থইথই করছে। এলাকার নিচতলার বাসাবাড়িতে পানি ঢুকে পড়েছে। বর্ষাকাল এলে আমাদের দুঃখের শেষ নেই। আগে অলিগলিতে পানি উঠত। আর এখন বৃষ্টি হলেই মেইন সড়কে পানি উঠে যায়। খালগুলোতে ময়লা আবর্জনায় ভরে থাকায় সঠিকভাবে পানি নিষ্কাশন হচ্ছে না। 

সবুর আহমেদ নামে বাকলিয়া এলাকার বাসিন্দা বলেন, বর্ষাকালে আমাদের দুর্ভোগ চরম পর্যায়ে ঠেকে। পুরো এলাকা জুড়ে পানি আর পানি। এলাকার প্রায় সবাই পানিবন্দি এখন। বৃষ্টির পানির সঙ্গে জোয়ারের পানি মিশে একাকার হয়ে গেছে।

পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাস কর্মকর্তা মো. জহিরুল ইসলাম দেশ রূপান্তরকে বলেন, থেমে থেমে বৃষ্টিপাত হচ্ছে। বুধবার দিনগত মধ্যরাত থেকে থেমে থেমে ভারী বৃষ্টিপাত হয়েছে। গতকাল সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টায় ১৫৩.৬৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। মৌসুমি বায়ুর সক্রিয় প্রভাবে বৃষ্টিপাত আরও দুয়েকদিন থাকতে পারে বলেও জানান তিনি।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত