২০০২ সালের আগস্টে সাতক্ষীরায় তখনকার বিরোধীদলীয় নেতা ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গাড়িবহরে হামলার ঘটনায় দ-প্রাপ্ত নয়জনের জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করেছে উচ্চ আদালত। তবে বিচারিক আদালতের দেওয়া সাজার বিরুদ্ধে তাদের আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করে অর্থদন্ড স্থগিত করেছে আদালত। জামিনের আবেদনের ওপর শুনানি নিয়ে গতকাল মঙ্গলবার বিচারপতি এএসএম আবদুল মোবিন ও বিচারপতি মো. আতোয়ার রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেয়। ৯আসামি হলেন মো. আবদুস সাত্তার, মো. ইয়াসিন আলী, মো. তোফাজ্জল হোসেন, তামিম আজাদ, মেরিন, আশরাফ, শেলী, হাসান ও রকিব। আদালতে তাদের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী গাজী মোহাম্মদ মহসিন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল এসএম মুনীর ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সুজিত চ্যাটার্জি বাপ্পী।
অ্যাডভোকেট গাজী মহসিন দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘এই নয়জনকে সাড়ে চার বছর করে কারাদন্ড দিয়েছিল বিচারিক আদালত। তাদের জামিনের আবেদন নাকচ করে আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করেছে হাইকোর্ট।’
ধর্ষণের শিকার এক মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রীকে দেখতে ২০০২ সালের ৩০ আগস্ট সাতক্ষীরার কলারোয়া সফরে যান আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা। সড়কপথে ঢাকায় ফেরার সময় কলারোয়া উপজেলা বিএনপি অফিসের সামনে তার গাড়িবহরে হামলার ঘটনা ঘটে। এ সময় তাকে এবং নেতাকর্মী পরিবেষ্টিত গাড়িবহর লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া, বোমা বিস্ফোরণ ও গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এতে কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় আওয়ামী লীগের বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী ও সাংবাদিক আহত হন। গত বছর ৪ ফেব্রুয়ারি সাতক্ষীরার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এক রায়ে সাতক্ষীরা-১ আসনের বিএনপিদলীয় সাবেক সংসদ সদস্য হাবিবুল ইসলাম হাবিবসহ তিনজনের সর্বোচ্চ ১০ বছর করে এবং ৪৭ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদ-াদেশ দেয়।
