চমকে দেওয়ার মতোই ছিল খবরটা। গতবার আইপিএল নিলাম থেকে কোনো দলই সাকিব আল হাসানকে নেয়নি। অথচ নিলামের আগে বিপিএলে টানা চার ফিফটিসহ ব্যাটে রানের ফোয়ারা ছোটাচ্ছিলেন সাকিব। তবুও আইপিএলে দল না পেয়ে খানিক মন খারাপই হয় বাংলাদেশ তারকার! সেই আক্ষেপ ভুলে সামনের বারে তাকিয়ে আছেন। আবার সুযোগ পেলে অবশ্যই আইপিএলকেই এগিয়ে রাখবেন বাংলাদেশ দলের চেয়েও। কাল নিউ ইয়র্কে একটি অনুষ্ঠানে সেই ইঙ্গিত দিলেন সাকিব।
সামনের বছর এফটিপিকে আইপিএলের আড়াই মাসে বাংলাদেশের কোনো আন্তর্জাতিক সূচি নেই। যদি থাকত তবে সাকিব ভিন্ন কিছু ভাবতেন বলে জানান, ‘দেখেন, আসলে আবেগের জায়গাটা কম, আবেগ দিয়ে সবসময় সব কিছু বিবেচনা করা যায় না। আইপিএল এমন একটা মঞ্চ এখন, আপনি স্বীকার করেন বা না করেন পুরো বিশ্ব ক্রিকেটই চায় এমন একটা জায়গায় খেলতে। এখানে খেলাটা সব খেলোয়াড়ের জন্যই ভালো একটা সুযোগ। এখান থেকে যে অভিজ্ঞতাটা আপনি পান সেটি অনেক বড় কিছু।’
সাকিব আইপিএলে খেলতে চান অভিজ্ঞতার কারণেই। ২০১৯ বিশ্বকাপের আগের আইপিএলটা তার জন্য খুব কাজে দিয়েছিল বলে জানালেন। ওই আসরে কোনো ম্যাচ খেলার সুযোগ পাননি। পরের আসরে দলই পাননি। তাই বলে আইপিএলকে বয়কট নয় উল্টো সামনের বারের আশায় আছেন সাকিব, ‘আপনি যদি দেখেন ২০১৯ বিশ্বকাপের আগেও আমি ম্যাচ খেলিনি (আইপিএলে)। পুরো দেড় মাস আমি ওখানে বসেছিলাম। ওখানে থাকার কারণে জনি বেয়ারস্টো, রশিদ খান, ডেভিড ওয়ার্নার, কেন উইলিয়ামসন ওদের সঙ্গে থেকে দেখেছি যে বিশ্বসেরা কীভাবে হওয়া যায়। বিশ্ব ক্রিকেটকে যে ওরা লিড করে সেটা কী কারণে করে, সেটা আমি ওখান থেকেই জেনেছি। ওখানে যদি না যেতাম কখনোই জানতে পারতাম না। আমার মনে হয় যেটা আমার জন্য অনেকটা কাজে দিয়েছে। ২০১৯ বিশ্বকাপে তার ফল আমি পেয়ছি। আইপিএল বলেন সিপিএল বলেন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এখান থেকে যে অভিজ্ঞতা পাওয়া যায় তা দেশের ক্রিকেটেরই লাভ হবে। শুধু আইপিএল না অন্য যে কোনো টুর্নামেন্ট বয়কট করার কোনো মানেই হয় না।’
