দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারতীয় গমের আমদানি বেড়েছে। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ বেশি থাকায় গমের দাম কেজিতে ৪-৫ টাকা কমেছে। এতে দেশের বাজারে গমজাতীয় খাদ্যপণ্যের দাম কমার সম্ভাবনা দেখছেন ব্যবসায়ীরা।
হিলি স্থলবন্দরে গম কিনতে আসা পাইকার আশরাফুল ইসলাম বলেন, আমরা হিলি স্থলবন্দর থেকে গম ক্রয় করে দেশের বিভিন্ন স্থানে ফ্লাওয়ার মিলগুলোতে সরবরাহ করে থাকি। কিন্তু আগে বন্দর দিয়ে গমের আমদানি কমে যাওয়ায় গমের দাম বাড়তি হয়ে গিয়েছিল বর্তমানে বন্দর দিয়ে গমের আমদানি কিছুটা বাড়ায় দাম কমতে শুরু করেছে। আগে যে গম ৪০ থেকে ৪১ টাকা বিক্রি হয়েছিল বর্তমানে তা কমে সাড়ে ৩৬ টাকা থেকে ৩৭ টাকায় নেমেছে। এতে করে গম কিনতে আমাদের যেমন সুবিধা হয়েছে তেমনি মোকামগুলোতে গমের চাহিদা কিছুটা বাড়ায় আমরা ভালো সরবরাহ করতে পারছি।
হিলি স্থলবন্দর আমদানি রপ্তানিকারক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, নিজ দেশে গমের সরবরাহ স্বাভাবিক ও মূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে গত ১৩ মে থেকে গম রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে ভারত সরকার। এর আগের দিন পর্যন্ত যেসব এলসি খোলা হয়েছিল সেসব গম রপ্তানির বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত না নেওয়ায় ভারতে বেশ কিছু আমদানিকারকের বিপুল পরিমাণ গম আটকা পড়ে যায়। সেই সঙ্গে দেশের বাজারে গমের সরবরাহ কমায় দাম ঊর্ধ্বমুখী হয়। তবে সম্প্রতি পুরনো এলসিগুলোর বিপরীতে গম রপ্তানির অনুমতি অব্যাহত রাখায় হিলি স্থলবন্দর দিয়ে গম আমদানির পরিমাণ বেড়েছে।
হিলি স্থলবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা সোহরাব হোসেন বলেন, হিলি স্থলবন্দর দিয়ে চলতি জুলাই মাসের শুরু থেকেই গম আমদানি অব্যাহত রয়েছে। তবে আগের চেয়ে বর্তমানে গমের আমদানির পরিমাণ খানিকটা বেড়েছে। বন্দর দিয়ে চলতি জুলাই মাসের শুরু থেকে ২৮ জুলাই পর্যন্ত ১৮ কর্মদিবসে ৩৭৭টি ট্রাকে ১৫ হাজার ১৭৩টন গম আমদানি হয়েছে।
