আইটেম গার্ল থেকে চিত্রনায়িকা হওয়া বিপাশা কবির কাজ করতে যাচ্ছেন নতুন সিনেমায়। সাম্প্রতিক কাজ নিয়ে কথা বললেন তিনি। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন দীপ্ত
নতুন সিনেমা...
নতুন একটি সিনেমার কাজ শুরু করতে যাচ্ছি। নাম এখনো ঠিক হয়নি। প্রযোজনা সংস্থার নিষেধ থাকায় এই সিনেমা নিয়ে বিস্তারিত কিছু বলতে চাচ্ছি না। তবে শিগগিরই এই সিনেমাটির শ্যুটিং শুরু হবে।
মুক্তি প্রতীক্ষিত সিনেমা...
মুক্তি প্রতীক্ষিত সিনেমাগুলোর তালিকায় রয়েছে রেজা হাসমতের ‘জেদি মেয়ে’, কালাম কায়সারের ‘যার নয়নে যারে লাগে ভাল’ এবং বাপ্পি খানের ‘সোলমেট’।
বিরতি...
গত ফেব্রুয়ারিতে শেষ শ্যুটিং করেছি। এরপর নতুন ছবি করব করব বলে আর করা হয় নাই। খুব শিগগিরই আবার কাজ শুরু করব। এই সময়টা ব্যক্তিগত কাজ নিয়েই ব্যস্ত আছি। পরিবারকে সময় দিচ্ছি। পড়াশোনায় পিছিয়ে গিয়েছিলাম, সেই গ্যাপটা দূর করার চেষ্টা করছি।
‘গিভ অ্যান্ড টেক’ সিনেমা নিয়ে...
অপূর্ব-রানা পরিচালিত ‘গিভ অ্যান্ড টেক’ ছবিতে কাজ করেছি। এর কাহিনী অপূর্ব রানার। চিত্রনাট্য লিখেছেন ফেরারি ফরহাদ। ‘সাইকো থ্রিলার’ গল্প নিয়ে নির্মিত হচ্ছে ছবিটি। এতে আমার বিপরীতে আছেন বাপ্পি চৌধুরী। অধরা খানও আছে। ছবির গল্পটি রোমান্টিক, থ্রিলার ও অ্যাকশন ধাঁচের। সবকিছু মিলিয়ে সুন্দর একটি টিম। আমি চেষ্টা করছি আমার চরিত্রের ভেতরে ঢুকে যেতে। আশা করি, দর্শক হতাশ হবেন না। ছবিটি দেখার পর।
সাঞ্জ জনের সঙ্গে বেশ কয়েকটি কাজে জুটি... সাঞ্জুর সঙ্গে এর আগেও কাজ করেছি। এর মধ্যে ‘সোলমেট’ আর ‘যার নয়নে যারে লাগে ভাল’ ছবিতে কাজ করেছি। জনের সঙ্গে আমার সম্পর্ক বেশ ভালো সেজন্য পরিচালকও মনে করেছেন বেশ সুন্দর একটি কাজ হবে আমাদের নিয়ে।
আইটেম গানের কী খবর....
গত চার বছর ধরেই আমি আইটেম গান করি না। আর করতেও চাই না। না করার সিদ্ধান্তেই বহাল আছি। প্রায় তো ৫০টার মতো সিনেমায় আইটেম গান করেছি। অনেক হয়েছে, আর না।
আইটেম গান না করার কারণ কী...
আইটেম গান না করার পেছনের কারণ একটাই, আমি মূলত সিনেমার নায়িকা হিসেবেই এখন নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে চাই। আর বাংলাদেশে সিনেমা করতে গেলে নায়িকা ছাড়া অন্য সেক্টরেও কাজ করলে ডিরেক্টররা অনেক সময় নিতে চায় না। যে কারণে আসলে নায়িকা ছাড়া অন্য কোনো বিশেষণে নিজেকে দেখতে চাই না। ফলে আর কোনো আইটেম গানে কাজ করছি না।
মূল নায়িকা হিসেবে কেমন রেসপন্স পাচ্ছেন?
রেসপন্স তো ভালোই পাচ্ছি। রেসপন্স না থাকলে তো হাতে ৫টা ছবি থাকত না। অবশ্য এক ট্র্যাক থেকে অন্য ট্র্যাকে গেলে জায়গাটা ঠিক করতে সময় লাগে। ফলে রেসপন্স পেতেও সময় লাগছে। অলরেডি তিনটা বছর পার করে ফেলেছি। এই সময়ে নিজের অবস্থানটা মোটামুটি তৈরি করতে পেরেছি বলে মনে করি। বেশ সময় লাগলেও এখন ভালো রেসপন্স পাচ্ছি। পরিচালকরাও আমাকে ডাকছেন।
সিনেমার অবস্থা নিয়ে...
দুইটিা সিনেমা ভালো চললেই তো আর বোঝা যায় না যে ইন্ডাস্ট্রি আবার ভালো অবস্থানে যাচ্ছে। তবে এটা ইতিবাচক যে, আমাদের সিনেমা মানুষ আবার দেখছে, দর্শকরা হলে যাচ্ছে। শুধু এই ঘরানার ছবি না, আমাদের অন্যান্য ঘরানার ছবিগুলোও ভালো চলুক। তা না হলে তো সিনেমার সুদিন ফিরবে না। এখন মানুষ মৌলিক গল্পের ছবি দেখতে চায়। ভালো গল্পের ছবি দেখতে চায়। আমাদের উচিত দর্শকদের ভালো গল্পের সুন্দর ছবি উপহার দেওয়া।
