চট্টগ্রামে দুর্নীতি দমন কমিশনের গণশুনানিতে ভুক্তভোগীদের ৪৭টি অভিযোগের মধ্য ৩০টির তাৎক্ষণিক সমাধান দেওয়া হয়েছে। তিনটি অভিযোগের তাৎক্ষণিক অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত হয়েছে। গতকাল বুধবার সকালে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের শাহ আলম বীর উত্তম মিলনায়তনে এ গণশুনানির আয়োজন করে দুদক।
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মমিনুর রহমানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দুদকের কমিশনার (অনুসন্ধান) ড. মো. মোজাম্মেল হক খান। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিভাগীয় কমিশনার মো. আশরাফ উদ্দিন, দুদকের মহাপরিচালক (প্রতিরোধ) এ কে এম সোহেল, সিএমপির কমিশনার কৃষ্ণপদ রায়, দুদকের চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক মো. মাহমুদ হাসান, চট্টগ্রাম মহানগর দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি মনোয়ারা হাকিম আলী প্রমুখ।
গণশুনানিতে নগরীর ৮৩টি সরকারি দপ্তর অংশ গ্রহণ করে। ভুক্তভোগীরা সরাসরি সেখানে তাদের অভিযোগ তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে পাওয়া ২০০ অভিযোগের মধ্যে ৪৭টির শুনানি করা হয়। এর মধ্যে ৩০টি অভিযোগের তাৎক্ষণিক সমাধান দেওয়া হয়। এ ছাড়া ৩টি অভিযোগ তাৎক্ষণিকভাবে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত দেন দুদক কমিশনার। অন্যান্য অভিযোগের যাচাই-বাছাইপূর্বক দুর্নীতি দমন কমিশনে পাঠানোর জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেওয়া হয়। শুনানি হওয়া অভিযোগগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ছিল সিটি করপোরেশন, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, পাসপোর্ট অফিস ও চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে।
