দীর্ঘ ৯ মাস বন্ধ থাকার পর আবারও দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারতীয় কাঁচা মরিচ আমদানি শুরু হয়েছে। এতে দেশের বাজারে কাঁচা মরিচের সরবরাহ বেড়ে দাম কমে আসবে বলে আশা করছেন আমদানিকাররা। সবশেষ গত বছরের ১০ নভেম্বর হিলি স্থলবন্দর দিয়ে কাঁচা মরিচ আমদানি হয়েছিল।
গতকাল শনিবার দুপুরে ভারত থেকে দুটি ট্রাকে মোট ১৫ টন কাঁচা মরিচ আমদানির মধ্য দিয়ে আবারও এই পণ্যটি আমদানি শুরু হলো। পরে আরও ৩টি ট্রাকে ২৭টন কাঁচা মরিচ আমদানি হয়।
হিলি স্থলবন্দরের কাঁচা মরিচ আমদানিকারক জামিল হোসেন জানান, গত কয়েকদিন ধরে তীব্র গরম, খরা ও অতিবৃষ্টির কারণে কাঁচা মরিচের উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় দেশে হঠাৎ করে কাঁচা মরিচের সররবাহ কমে দাম ঊর্ধ্বমুখী হয়। দাম বাড়তে বাড়তে ২৫০ টাকায় গিয়ে ঠেকে।
বন্দর সূত্র জানায়, কাঁচা মরিচের মূল্য নিয়ন্ত্রণে সরকার গত বৃহস্পতিবার আমদানি অনুমতি-আইপি দেয়। মেসার্স হিলি শিপিং লাইন ৫শ টন ও সততা বাণিজ্যালয় ১ হাজার টন কাঁচা মরিচ আমদানির অনুমতি পায়। ভারতের বিহার প্রদেশ থেকে এই কাঁচা মরিচ আমদানি করা হচ্ছে। প্রতি টন কাঁচা মরিচ ১৫০ থেকে ২০০ ডলার।
কেজিতে ২৮ টাকা ১০ পয়সার মতো শুল্ক পরিশোধ করতে হচ্ছে আমদানিকারকদের।
আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান মেসার্স হিলি শিপিং লাইনের জামিল হোসেন জানান, ভারতের বিহার প্রদেশ থেকে কাঁচামরিচ প্রতি টন ১৫০ থেকে ২০০ ডলারে আমদানি করা হচ্ছে। প্রতি কেজিতে ২৮ টাকা শুল্ক পরিশোধ করতে হচ্ছে।
আমদানির ফলে কাঁচা মরিচের দামে যে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে তা নিয়ন্ত্রণে আসবে।
