সাবেক টেস্ট অধিনায়ক মুমিনুল হক বারবারই বলতেন তার সিদ্ধান্ত তিনি নেন। কিন্তু গুঞ্জন শোনা যেত কোনো সিদ্ধান্তই আসলে তার নয়। টেস্ট হারে একাদশ ঠিক করা নিয়ে অনেকবারই প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়েছে মুমিনুলকে। এমনকি মাঠেও তার সিদ্ধান্ত অনেক সময় আসত ড্রেসিংরুম থেকে। কিন্তু সাকিব আল হাসানের বেলায় সবকিছুই উল্টো। কাল নাজমুল হাসান পাপনও জানালেন সাকিব থাকতে আর কিছু প্রয়োজন হয় না।
এমনকি কোচেরও দরকার নেই। বাংলাদেশ ক্রিকেটে কর্র্তৃত্বটা আবারও উঠেছে সাকিবের হাতে। টেস্টের নেতৃত্ব পাওয়ার পর টি-টোয়েন্টিতেও তাকেই পছন্দ বিসিবির। তার কারণও আছে। সাকিবের ওপর সবসময়ই ভরসা ছিল বিসিবির। এখন টি-টোয়েন্টিতে দলের দুর্যোগে বিশ্বাসটা আরও বেশি। তাই টি-টোয়েন্টিতে নতুন কনসালট্যান্ট শ্রীধরন শ্রীরাম আসলেও পরিবর্তন খুব একটা হবে না। শ্রীরাম করবেন বাইরের কাজ। আর সাকিব মাঠের। কাল নাজমুল হাসান পাপন জানালেন দল-একাদশ-পরিকল্পনা সবকিছুই সাকিবের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করে, ‘সাকিবের কোনো সমস্যা নেই। সাকিব যখন অধিনায়ক হয়, কে কোচ বা কে না এটা নিয়ে কোনো ইস্যু হয় না। সেরা একাদশ ওই (সাকিব) ঠিক করে। অবশ্যই ওইখানে হয়তো কোচের সঙ্গে পরামর্শ করে। কিন্তু কোচও প্রাধান্য দেয় অধিনায়ককে সেরা একাদশের ক্ষেত্রে। খেলার পরিকল্পনা কী হবে এটা হয়তো ব্যাখ্যা করে দেয়। ওইটা ব্যাখ্যা করতে পারে। এটা তো যেকেউই বাদ দিতে পারে। আমাদের যদি হেড কোচ নাও থাকে ওইখানে খালেদ মাহমুদ সুজনও করে।’ আগের দিনই পাপন বলেছেন সাকিব এশিয়া কাপ নিয়ে বেশ আত্মবিশ্বাসী। সেই জায়গা থেকে নিজের মতো করে দল ও পরিকল্পনা সাজাচ্ছেন সাকিব। তাই তিন বছর পর ফিরিয়েছেন সাব্বির রহমানকে। আবার মুশফিককে ওপেন ও কিপিং করতে রাজি করানোর পেছনেও সাকিব। সব মিলিয়ে সাকিবই এখন দল সাজাচ্ছেন।
