বরগুনায় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের ওপর পুলিশি নির্যাতনের জন্য কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ দায়ী বলে অভিযোগ করেছেন বরগুনা জেলা ছাত্রলীগের বর্তমান ও সাবেক নেতারা। তারা বলেছেন, ‘আওয়ামী লীগের অনুভূতির সঙ্গে যাদের কোনো স¤পর্ক নেই তাদের দায়িত্ব দেওয়া আত্মঘাতী।’ গতকাল শনিবার দুপুরে বরগুনা প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন তারা। এসময় কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ কমিটি ঘোষিত বরগুনা জেলা ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্ত করে নতুন কমিটি ঘোষণার দাবি জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে বরগুনা জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও সাধারণ স¤পাদকদের পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন প্রাক্তন সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা মহিউদ্দিন আহমেদ মকবুল। এ সময় উপস্থিত অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জুবায়ের আদনান অনিক, সাবেক সাধারণ স¤পাদক মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রশিদ, গোলাম মোস্তফা কিসলু, মো. আলমগীর হোসেন।
সংবাদ সম্মেলনে নেতৃবৃন্দ বলেন, ছাত্রলীগের দুটি অংশের সঙ্গে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার সময় কে বা কারা পুলিশের গাড়ি লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। এ ঘটনায় আইনসম্মত কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ না করে অ্যাডিশনাল পুলিশ সুপার সাবেক উপমন্ত্রী অ্যাড. ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভুসহ জেলা আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের সিনিয়র নেতাদের সামনে ছাত্রলীগের নিরীহ কর্মীদের পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। পুলিশের নির্যাতনের ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগের বর্তমান ও সাবেক নেতাকর্মীরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন।
সংবাদ সম্মেলনে বরগুনা জেলা ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ স¤পাদক ও জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার আলহাজ আবদুর রশীদ বলেন, ‘গঠনতন্ত্র উপেক্ষা করে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ বরগুনা জেলা ছাত্রলীগের কমিটি ঘোষণা করে। এ কারণে বরগুনা জেলা ছাত্রলীগের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাসের পাশাপাশি আদর্শ ভূলুণ্ঠিত হয়েছে। তাই অতিসত্বর অগঠনতান্ত্রিক কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করে গঠনতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় বরগুনা জেলা ছাত্রলীগের কমিটি ঘোষণার দাবি জানানো হয়।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি আল নাহিয়ান খাঁন জয়ের মোবাইল ফোনে একাধিকবার চেষ্টা করলেও তার সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করা সম্ভব হয়নি।
