সৈকতে অবৈধ স্থাপনা

কক্সবাজারের ডিসিকে তলব হাইকোর্টের

আপডেট : ২৬ আগস্ট ২০২২, ০১:৪৯ এএম

কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত এলাকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য রক্ষায় অবৈধ দখল ও স্থাপনা উচ্ছেদ নিয়ে উচ্চ আদালতের নির্দেশনা প্রতিপালন না করার পরিপ্রেক্ষিতে জেলার ডিসিকে তলব করেছে হাইকোর্ট। একই সঙ্গে জেলা প্রশাসক (ডিসি), পুলিশ সুপার (এসপি), কক্সবাজার পৌর মেয়র, কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার রুল দিয়েছে আদালত।

আদালত অবমাননার অভিযোগসংক্রান্ত আবেদনের ওপর শুনানি নিয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার বিচারপতি জেবিএম হাসান ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলসহ এ আদেশ দেয়। আগামী ১৯ অক্টোবর কক্সবাজারের ডিসি মামুনুর রশীদকে সশরীরে হাইকোর্টে হাজির হতে বলা হয়েছে।

আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনজিল মোরসেদ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল তুষার কান্তি রায়। অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ সাংবাদিকদের বলেন, কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত এলাকায় অবৈধভাবে স্থাপনা নির্মাণ করে ব্যবসা পরিচালনা করে সৈকতের সৌন্দর্য নষ্ট করায় এ রিট আবেদনটি করা হয়েছে। পরিবেশ ও মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ ২০১১ সালে আবেদনটি করে। ওই বছরের ৭ জুন সৈকতের সৌন্দর্য সংরক্ষণের নির্দেশনাসহ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের নির্দেশনা দেয় হাইকোর্ট। নির্দেশনার পর অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ হয়। কিন্তু পরে স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতায় সেখানে আবারও দোকান বরাদ্দ দেওয়া হয়।

তিনি বলেন, এসব অবৈধ স্থাপনা সরাতে গত ৭ ফেব্রুয়ারি বিবাদীদের (রিট মামলার বিবাদী) আইনি নোটিস দেওয়া হয়। কিন্তু কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। গত ১৪ মার্চ হাইকোর্টে আদালত অবমাননার মামলা হয়। এর ধারাবাহিকতায় সৈকতের সুরক্ষা নিয়ে ২০১১ সালের রায় অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে আজ (গতকাল) আদালত অবমাননার রুল দেয় হাইকোর্ট। এছাড়া কক্সবাজার ডিসিকে সশরীরে হাজির হতে তলব করেছে আদালত।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত