নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে যৌথ নদী কমিশনের (জেআরসি) মন্ত্রিপর্যায়ের বৈঠক এক যুগ পর গতকাল বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হয়। কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানিয়েছে, কুশিয়ারা নদীর পানি বণ্টনে বৈঠকে ভারতের পক্ষ থেকে ইতিবাচক সাড়া পাওয়া গেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আসন্ন ভারত সফরে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসতে পারে। তবে তিস্তার পানিবণ্টন ইস্যুতে উল্লেখযোগ্য কোনো অগ্রগতি হয়নি। বাংলাদেশের
পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক এবং ভারতের জলশক্তি (পানিসম্পদ) মন্ত্রী গজেন্দ্র সিং সাখাওয়াত বৈঠকে নিজ নিজ পক্ষে নেতৃত্ব দেন। এছাড়া বাংলাদেশের পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী এনামুল হক শামীমও বৈঠকে যোগ দেন। এর আগে নয়াদিল্লিতে গত মঙ্গলবার যৌথ নদী কমিশনের সচিব পর্যায়ের বৈঠক হয়।
কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, আগামী ৬ সেপ্টেম্বর নয়াদিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মধ্যে শীর্ষ বৈঠক হবে। এর আগে দুই দেশের নদী ইস্যুতে গুরুত্বপূর্ণ জেআরসির এ বৈঠক হলো। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আগ্রহের ফলেই দীর্ঘ ১২ বছর পর গতকাল জেআরসির বৈঠকটি হলো। বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে অভিন্ন ছয় নদী মনু, ধরলা, খোয়াই, গোমতী, মুহুরী ও দুধকুমার নিয়ে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে। গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তি নবায়ন সংক্রান্ত বিষয়েও ভালো আলোচনা হয়েছে। কুশিয়ারা নদীর পানি উত্তোলনে নয়াদিল্লির পক্ষ থেকে ইতিবাচক সাড়া পাওয়া গেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আগামী সেপ্টেম্বরে ভারত সফরে এসব বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসতে পারে।
