একসময়কার মাঠ মাতানো আতিকুজ্জামান খান জাকির, আশরাফউদ্দিন আহমেদ চুন্নু, সম্রাট হোসেন এমিলি, মোনেম মুন্না, শহিদ হোসেন স্বপন, জাকির হোসেন, গোলাম গাউস, নজরুল ইসলাম, মোহাম্মদ সুজন, হালের তপু বর্মণ ও ইয়াসিন আরাফাতরা নারায়ণগঞ্জ থেকে উঠে এসে জাতীয় দলে প্রতিনিধিত্ব করেছেন। তাদের কয়েকজনের উত্তরণ সিঁড়ি ছিল মহসিন ক্লাব। মাঝে ক্লাবের কর্মকান্ডের মতো গোটা জেলার ফুটবল কার্যক্রমও স্থবির হয়ে পড়ে। মহসিন ক্লাবের মাধ্যমে সে অচলাবস্থা দূর হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন সাবেক ফুটবলাররা।
শনিবার ক্লাব প্যাভিলিয়ন ও মাঠ আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনকে ঘিরে তারকার মেলা বসেছিল নারায়ণগঞ্জের খানপুরের মহসিন ক্লাবে। শেখ মোহাম্মদ আসলাম, রুম্মন বিন ওয়ালী সাব্বির, সত্যজিৎ দাস রূপু, শহিদ হোসেন স্বপন, জাকির, আলফাজ আহমেদ, ইমতিয়াজ আহমেদ নকীব, নজরুল ইসলাম, মোহাম্মদ সুজন, আজমল হোসেন বিদ্যুৎদের উপস্থিতিতে মুখরিত ছিল মহসিন ক্লাব প্রাঙ্গণ। ‘দুনিয়ার অনেক শহরে গিয়েছি। কিন্তু আমার এই শহরের সঙ্গে, এই এলাকার সঙ্গে কোনো শহরের তুলনা হয় না। এই এলাকা আমাকে গড়েছে। আমি সেই ঋণ শোধ করতে এসেছি’– ক্লাব প্যাভেলিয়ন ও মাঠ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বলছিলেন রিয়াজ উদ্দিন আল মামুন।
সাবেক খেলোয়াড় স্বপন বলেন, ‘আবাহনী, মুক্তিযোদ্ধা, ব্রাদার্স ও জাতীয় দলে প্রতিনিধিত্ব করেছি মহসিন ক্লাব থেকে উঠে এসে। ক্লাব ও মাঠ নতুন রূপ পাওয়া আমরা আশাবাদী এখান থেকে আগামী দিনে বড় ফুটবলার বেরিয়ে আসবে।’
আরেক সাবেক খেলোয়াড় বায়োজিদ আলম জুবায়ের নিপু বলেন, ‘জেলার খেলাধুলায় মহসিন ক্লাব বরাবরই ছিল সফল। মাঝে ক্লাবের কর্মকান্ডে স্থবিরতা লক্ষ করা গেছে। রিয়াজ উদ্দিন আল মামুনের কল্যাণে তা দূর হয়েছে। কেবল মহসিন ক্লাব নয়, স্থানীয় প্রায় ২০ ট্রেনিং সেন্টারে ক্রীড়া সামগ্রী ও কোচদের বেতন দিচ্ছেন তিনি। তার এ উদ্যোগে নারায়ণগঞ্জ ক্রীড়াঙ্গন ঘুরে দাঁড়াবে বলে আমি বিশ্বাস করি।’
